“আম্ফান” ক্ষয়-ক্ষতিতে দুঃখপ্রকাশ রাষ্ট্রসঙ্ঘ মহাসচিবের
সুপার সাইক্লোন “আম্ফান”-এ ভারত ও বাংলাদেশের ক্ষয়-ক্ষতিতে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেইরেস।
সুপার সাইক্লোন “আম্ফান”-এ ভারত ও বাংলাদেশের ক্ষয়-ক্ষতিতে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেইরেস।
“আম্ফান”-এর দাপটে ফুলের বাগান ধূলিসাৎ। মাথায় হাত পড়েছে ফুল চাষিদের। ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডবে ফুলগাছের পাশাপাশি ফুলের কুঁড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় বাজারে ফুলের জোগান নিয়ে সংশয় চাষিদের।
“আম্ফান”-এর ভয়াবহ তাণ্ডবে বসিরহাট মহকুমায় বহু নদীবাঁধ ভেঙেছে। নোনা জলে প্লাবিত বিভিন্ন এলাকা। স্থানীয় সূত্রের খবর, নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়েক হাজার একর চাষযোগ্য জমি নষ্ট হয়েছে।
বহু গ্রাম প্লাবিত। প্লাবিত গ্রামে নেই ত্রাণ, বেড়ে চলেছে ক্ষোভ। সূত্রের খবর, “আম্ফান”-এর তাণ্ডবে বেতনী নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত সন্দেশখালি-১ নম্বর ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।
“আম্ফান”-এর পরই একলাফে সব্জির দাম বেড়ে গেল বাজারে। এরফলে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তরা বেজায় সমস্যায় পড়েছেন।
লকডাউনের জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ফুলচাষ। এবার সমস্যা বেড়েছে আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের পর। সূত্রের খবর, মাঠের পর মাঠ ফুলগাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে আম্ফান দাপটে।
দীর্ঘ লকডাউন পর্বে চলছে না রিকশা, টোটো ও অটো। বন্ধ চালকদের উপার্জন। সামাজিক অনুষ্ঠান-সহ সভা-মিটিং-জমায়েতও বন্ধ। এরফলে ব্যবসা ভয়ানক মন্দা ইলেকট্রিশিয়ানদের।
বাঘ বাঁচলেও প্রায় ১২০ কোটি ক্ষতির মুখে সুন্দরবন এলাকা। স্থানীয় সূত্রের খবর, লকডাউন পর্বে চাষাবাদ, মাছ ধরা ও মধু সংগ্রহ হয়নি। এবার “আম্ফান” তাণ্ডবে মাথার চালও উড়ে গিয়েছে সুন্দরবনবাসীর।
“আম্ফান” বিপর্যয়ে নাকাল মানুষ। জনজীবন বিপর্যস্ত। চারিদিকে ধ্বংসস্তুপ। জল নেই, বিদ্যুৎ নেই। খাবারেরও সঙ্কট। সব মিলিয়ে জেরবার পরিস্থিতি।
“আম্ফান” তাণ্ডবে ছারখার সাত জেলা। ঘুরে দাঁড়ানোই এখন চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় সূত্রের খবর, ঝড়ের আস্ফালনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর, কাকদ্বীপ, পাথরপ্রতিমা, বকখালি, বাসন্তী, ক্যানিং ও গোসাবায় যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন।