sundarban and travelEducation Enviornment Others 

ভ্রমণে সচেতনতা : সচেতনতায় ভ্রমণ

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ছুটির অবসরে ভ্ৰমণপিপাসু মানুষ বেরিয়ে পড়েন সমুদ্র-পাহাড় ও জঙ্গলে। পর্যটন কেন্দ্রে গিয়ে পরিবেশের কথাটি তাঁদের মাথায় থাকে না বলে অভিযোগ বিভিন্ন মহলে। সমুদ্র-পাহাড় ও জঙ্গলে যত্র-তত্র প্লাস্টিক,থার্মোকল সহ জলের বোতল ফেলে থাকেন। পরিবেশ দূষণের বিষয়টি নিয়ে সজাগ হতে দেখা যায় না অনেককেই। আবার পর্যটনের কারণে সুন্দরবনের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত নদীর জল ও মাটিতে দূষণের পরিমাণ বাড়ছে। ভূমিক্ষয় বাড়ছে। ম্যানগ্রোভ সহ বিভিন্ন গাছের চারার বৃদ্ধি ঘটছে না। নতুন করে গাছও গজাচ্ছে না বলে পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মত ।

অন্যদিকে নদীর জলে তেলের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে জলজ প্রাণীও। সুন্দরবন ভ্রমণের তাগিদে বহু পর্যটক লঞ্চ ও স্টিমারে চড়েন। সচেতনতার অভাবে অনেক পর্যটক প্লাস্টিক,থার্মোকল সহ জলের বোতল নদী ও মাটিতে ফেলে থাকেন। সব মিলিয়ে প্রভাব পড়ছে সুন্দরবনের ওপর। পাহাড় ও সমুদ্রের ক্ষেত্রেও একই জিনিস ঘটে চলেছে প্রতিদিন-প্রতিক্ষণ।

পর্যটন শিল্প অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটায়। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের রুটি-রুজির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা নিয়ে থাকে। পর্যটকদের মনোভাব ও আচরণ পরিবর্তন না হতে চাষযোগ্য জমি,বন-জঙ্গল, সমুদ্র-নদী-জলাশয় প্রভৃতি ক্ষতিগ্রস্ত ও দূষিত হয়ে পড়বে। সতর্ক ও সাবধানী হতেই হবে। পরিবেশের ভাবনা ভুললে চলবে না। পর্যটন শিল্পের ক্ষতিকর দিকগুলির বিবেচনা অবশ্যই করতে হবে। পরিবেশ রক্ষায় আইন তৈরি হয়েছে। তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেক শিথিলতাও রয়েছে। (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment