রায় স্থগিত হওয়ার জন্য অপেক্ষা বিশ্ববিদ্যালের পরীক্ষার্থীদের
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ইউজিসি-র মামলার রায় স্থগিদ রাখলো শীর্ষ আদালত। ৩০ সেপ্টেম্বরের ভিতর দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ফাইনাল সেমেস্টারের পরীক্ষা শেষ করে ফেলতে হবে বলে নির্দেশ দেয় ইউজিসি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরোধিতা করা গুচ্ছ মামলার শুনানির শেষে মঙ্গলবার রায় স্থগিত রাখলো শীর্ষ আদালতের বিচারপতি অশোক ভূষণের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এর ফলে সারা দেশের লক্ষ লক্ষ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়াদের আরও অপেক্ষার পালা। আদালতের প্রশ্ন, ‘করোনা আবহে কোনও রাজ্যের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার পরও কি সেই রাজ্যে ফাইনাল সেমেস্টারের পরীক্ষার নির্দেশ দিতে পারে ইউজিসি?’ আদালতের নির্দেশে ইউজিসি সহ সকল পক্ষকে তিনদিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। এখন এটাই দেখার যে, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ফাইনাল সেমেস্টার পরীক্ষার ক্ষেত্রে রাজ্যগুলির আপত্তি মান্যতা পায়, নাকি ইউজিসি-র অনড় মনোভাবকেই স্বীকৃতি দেয় সুপ্রিম কোর্ট- সেদিকেই এখন সবার নজর।
খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার মতামত জানান।
অবশ্য পরীক্ষার্থীদের আইনজীবীর আশা, শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে পরীক্ষার্থীরা ন্যায় বিচার পাবেন। মঙ্গলবার শুনানি পর্বেও নিজেদের অবস্থান বদলের তেমন কোনও আভাস দেননি ইউজিসি-র সলিসিটর জেনারেল। কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কেন পরীক্ষা শেষ করা জরুরি তা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সওয়াল করেন তিনি। বলেন, এখন পরীক্ষা না থাকা সত্বেও কি পরিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন না? এই যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘যাঁরা ফাইনাল সেমেস্টারের পরীক্ষা দেবেন তাঁদের বয়স ২১-২২ বছর। এটা কি বিশ্বাস করা যায়, এঁরা কেউ এখন ঘরের বাইরে বেরোচ্ছেন না?’ পড়ুয়াদের পক্ষের বিচারপতি বলেন, ‘পড়ুয়ারা অনেক সময়েই নিজেদের ভালোমন্দের বিচার করতে পারে না। একমাত্র কর্তৃপক্ষই বলতে পারেন কোনটা তাঁদের ভালোর জন্য হচ্ছে।’ ইউজিসি সলিসিটর জেনারেল সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ‘পরীক্ষার ফলের সঙ্গে জড়িত থাকে স্কলারশিপ, তেমনই চাকুরী সংক্রান্ত ভবিষ্যৎও। কোনও বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা না নিয়েই ডিগ্রি দেওয়ার কথা ভাবতেই পারে না।’

