ই-রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে দ্রুত জমি ও বাড়ির দলিল নিবন্ধীকরণ

Nabanna

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ নবান্ন সূত্রে খবর, ই-রেজিস্ট্রেশনের আবেদন জামা পড়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে পুরো বিষয়টির নিস্পত্তি করতে বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষা ছাড়াও রেজিস্ট্রি খাতে আয় বাড়ানোর তাগিদেই এই জরুরি নির্দেশ বলে সরকারি সূত্রে জানা যায়। আনলক পর্বের গোড়াতেই রাজ্য সরকার ১০০% হাজিরা রেখে পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে দূরত্ববিধি বজায় রেখে চালু হয়েছে অনলাইন জমি ও বাড়ির দলিলের ই-রেজিস্ট্রেশন। করোনা পরিস্থিতিতেই নিরাপদে বাড়িতে বসেই সারতে পারবেন রেজিস্ট্রেশনের কাজ। সরকারি সূত্রে জানা যায়, মে মাসের মাঝামাঝি থেকে রাজ্যে রেজিস্ট্রি অফিসগুলোতে কাজ শুরুর পর থেকে জুলাই পর্যন্ত রেজিস্ট্রি খাতে আয় হয়েছে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। রেজিস্ট্রি কর্তাদের হিসেবে গত আর্থিক বছরে এই খাতে মোট আয় ছিল ৫৮০০ কোটি টাকা।

খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করে অন্যদের দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার মতামত জানান।

কিন্তু লকডাউন পরিস্থিতিতে আয়ের পরিমানে বেশ কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এই ঘাটতি পুরোন ও রেজিস্ট্রির কাজে গতি আনতে কলকাতায় রেজিস্টার অফ অ্যাসুরেন্স ও সমস্ত জেলা রেজিস্টারকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, কোনও রেজিস্ট্রি অফিসে যেন ই-ডিডি বকেয়া পরে না থাকে। যাবতীয় ই-ডিডি জামা পড়ার ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সেগুলির নিস্পত্তি করা হয়। যদি কোনও ই-ডিডি যাবতীয় নিয়মবিধি মেনে উপযুক্ত ফী-সহ পেশ করেন, তা হলে ওই সময়সীমার মধ্যেই তা গ্রাহ্য হবে। কিন্তু রেজিস্ট্রি দপ্তরের এক কর্তা জানান, পরিকাঠামোগত কিছু সমস্যা থাকায় ই-নথিকরণের কাজে কিছুটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *