jhorkhali sundarbanOthers Travel 

ঝড়খালির জল-জঙ্গলে

আমার বাংলা নিজস্ব প্রতিনিধি: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত ম্যানগ্রোভ জঙ্গল। যাকে স্থানীয় ভাষায় বাদাবন বলা হয়। সুন্দরী,গরান,গেঁওয়া সহ নানা জাতের গাছের বর্ণময় শোভা। একদিকে প্রবাহিত নদী ও অন্যদিকে ম্যানগ্রোভ বন।
ভ্রমণের নেশা থাকলে বেরিয়ে পড়তে পারেন। এখানকার প্রধান আকর্ষণ বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্র। বাঘেদের বিচরণ ক্ষেত্রটিকে দুচোখ ভরে দেখতে পাবেন। বাঘ ছাড়াও কুমির ও চিতল হরিণও দেখতে পাবেন। রাজ্য পর্যটন দফতরের রিসর্ট,
একাধিক হোটেল ও কটেজ দেখতে পাবেন। সাধ্যের মধ্যেই থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ভোরের আলো ও রাতের অন্ধকার উপভোগ করতে পারবেন। একদম ফ্রেশ বাতাস আপনাকে চনমনে করে তুলবে। দূরের মাঠে কৃষকরা জমিতে চাষ করছে দেখতে পাবেন। গ্রামের অপরূপ রূপ উপভোগ করতে পারবেন। ক্যানিং ব্রিজ,মাতলা নদী,বিদ্যাধরী নদীর অনন্য শোভা দেখতে দেখতে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি হবে। জানা ও নাম না জানা নানা পাখির কলরব শুনতে পাবেন। এখানে সারা আকাশ নীল-সাদা মেঘরাশি। দিগন্ত বিস্তৃত নদী নজরে পড়বে। রোদ ঝলমলে সূর্য সরে অস্তমিত সূর্যের উঁকি দেখতে পাবেন। পশ্চিম আকাশে লালবর্ণ হয়ে সূর্য ডোবার ছবি ধরা পড়বে। প্রাণের শান্তির জন্য চলে আসতে পারেন-ঝড়খালি। এখান থেকে গোটা সুন্দরবন ঘোরা যেতে পারে।
সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ বনাঞ্চল ঘোরার জন্য লঞ্চ বা বোট পাবেন। বঙ্গোপসাগরের মোহনাতেও যেতে পারেন। কিভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন! চিন্তার কিছু নেই। সেই পথ-নির্দেশও দিচ্ছি। কলকাতা থেকে সড়ক পথে ঝড়খালি যেতে ৩ ঘন্টার মতো সময় লাগবে। রেলযোগে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা দিয়ে ক্যানিং লোকাল ধরবেন। ক্যানিং স্টেশন থেকে ঝড়খালি যাওয়ার জন্য গাড়ি-বাস পাবেন। সময় লাগবে এক ঘন্টার কাছাকাছি। (ছবি: সংগৃহীত)

Related posts

Leave a Comment