corona have symptomsHealth 

করোনায় আক্রান্ত কারও উপসর্গ আছে, আবার কারও মধ্যে নেই: কিন্তু কেন!

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনা ভাইরাস প্রত্যেকের দেহে বিভিন্ন উপায়ে কাজ করে। কখনও একের বেশি লক্ষণ বেড়েই চলেছে তেমনি করোনার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দিন দিন বেড়ে চলেছে। এমনকি করোনা নিরাময় হলেও, ভাইরাসটি দেহের একাধিক অংশের ক্ষতি করছে। এই ভাইরাস কারও শরীরে এমনভাবে কাজ করে যা তার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত চলতে থাকে। কারও শরীরে ভাইরাসের উপস্থিতি বোঝা যাচ্ছে না। করোনার এই বহুমুখী চরিত্রটি পরিবর্তন করার কারণ জানার জন্য গবেষণা চলছে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় মানব দেহ করোনা বিভিন্ন উপায়ে কেন কাজ করে তা চিকিৎসকরা ব্যাখ্যা করছেন। বেথ ইস্রায়েল ডিকনসেস মেডিকেল সেন্টারের (বিআইডিএমসি) এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকির কারণগুলি কিছুটা জেনেটিক। তার জন্য দেখা গিয়েছে বিভিন্ন লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকার কারণটি। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ মানুষ সংক্রমিত হচ্ছে। এদের কারও কারও সামান্য লক্ষণ রয়েছে, আবার কারও কারও মৃত্যু হচ্ছে।

নিউ ইংল্যান্ড জার্নালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক গবেষণার প্রধান লেখক বিআইডিএমসির কার্ডিওভাসকুলার মেডিসিনের প্রধান রবার্ট ই গার্স্টেন বলেছেন, অন্যান্য শারীরিক সমস্যা প্রাথমিকভাবে এই অবস্থাকে প্রভাবিত করেছিল। তার জন্য, এই লক্ষণগুলির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি বা মৃদুতা রোগীর মধ্যে দেখা যায়। তিনি বলেন, “যাদের কার্ডিওভাসকুলার বা বিপাকজনিত রোগ রয়েছে তাদের ঝুঁকির কারণ বেশি থাকে।”

গবেষণায় আরও দেখা গিয়েছে যে, করোনার সংক্রমণের কারণগুলি চিন, ইউরোপ এবং আমেরিকাতে বিভিন্ন জিন কীভাবে ছিল তার উপর নির্ভরশীল। তবে বিস্তারিতভাবে সেই জিনের গঠন বা প্রোটিনের দিকে নজর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে এটি এই রোগে কাজ করে তা পরীক্ষা করে দেখা দরকার।

গার্স্টেন এবং তার সহকর্মীদের সংগ্রহ করা ডেটা দেখায় যে, কিছু জিনোমে জিনোমিক হটস্পট রয়েছে যা বিভিন্ন স্থান থেকে প্রোটিন এবং বিপাকের নমুনায় পাওয়া যায়। যা দেহে করোনার ভাইরাসের প্রকোপ বাড়াতে সহায়তা করে। এবং এই জাতীয় প্রোটিন বা জিনোম একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে অনেকের মধ্যে বিদ্যমান। যা ওই অঞ্চলের মানুষের ঝুঁকির কারণ বাড়িয়ে তুলছে।

Related posts

Leave a Comment