প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক অবসাদ কমানো সম্ভব
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:সারাদিন টেনশন নিয়ে চলতে হয় বহু মানুষকে। তাই মানসিক অবসাদ থেকে যায়। কীভাবে তার মোকাবিলা করবেন তা নিয়েই চিন্তা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এক্ষেত্রে সহজ কিছু প্রাকৃতিক উপায় রয়েছে। তবে ওষুধ দিয়ে নয়, প্রাকৃতিক উপায়ে অনেকটাই কমানো সম্ভব হতে পারে এই মানসিক চাপ। করোনার আবহে বহু মানুষ ঘরবন্দী। তার ওপর রয়েছে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের চাপ। অনেকে আবার কাজ হারিয়ে মানসিক অবসাদে ভুগছেন। সম্প্রতি একটি সমীক্ষা অনুযায়ী জানানো হয়েছে, অফিসের কাজের চাপ ও অন্যান্য কারণে কমবয়সী কর্মরত যুবক-যুবতীদের মানসিক চাপ বহু অংশে বেড়ে গিয়েছে। British Journal of Psychiatry-তে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় জানানো হয়েছে , করোনা আবহে প্রথম দিকে লকডাউন পর্বে ১৩ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছে মানসিক চাপ । পরপর তা বেড়েই চলেছে। প্রাকৃতিক উপায়ে অনেকটাই কমানো সম্ভব হতে পারে এই মানসিক চাপ বা উদ্বেগ। এক্ষেত্রে যেমন-
শিলাজিৎ বিশেষ কার্যকরী। কর্মরত অল্পবয়সী যুবক ও যুবতীদের শিলাজিৎ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। শিলাজিতের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম ও জিঙ্ক । এটি চাপ কমিয়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে সহযোগিতা করে। তাই প্রয়োজন মতো শিলাজিৎ অবসাদ কমানোর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। অন্যদিকে অশ্বগন্ধাও উপকারী। আয়ুর্বেদিক ওষুধ অশ্বগন্ধা ব্রেনের কেমিক্যাল সিগনালিং নিয়ন্ত্রণ ও স্নায়ুতন্ত্রকে সতেজ রাখতে সহযোগিতা করে। পাশাপাশি মানসিক অবসাদ বা উদ্বেগ দূর করতে সক্ষম। শারীরিক স্বাস্থ্য ছাড়াও মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অশ্বগন্ধা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
আবার মানসিক চাপ বা অবসাদ কমাতে ম্যাজিকের কাজ করে পুদিনার চা। পুদিনার মধ্যে থাকা মেন্থল ও অ্যান্টিপ্যাসমোডিক উপাদান বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা নিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে পুদিনার চা পান করলে মুড রিল্যাক্স হয়ে যায়। ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা অফিসের কাজে সারা দিন খুব চাপ থাকলে সন্ধ্যায় এক কাপ পুদিনার চা পান করতে পারেন। প্ল্যান্টবেসড প্রোডাক্টও কার্যকরী হতে পারে। বর্তমান সময়ে ওয়ার্কিং প্রফেশনালরা এই ধরনের প্রোডাক্ট নিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে লক্ষ্য হচ্ছে,কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে অবসাদ বা উদ্বেগ কমানো । প্রোটিন, মাল্টিভিটামিন ও বিবিধ আয়ুর্বেদিক হার্ব প্রোডাক্ট ব্যবহার করে থাকেন।

