আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের সংযুক্তকরণ

gramin bank

আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির সংযুক্তকরণের পথে হাঁটতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সূত্রের খবর,কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের পরিকল্পনা অনুযায়ী,বিভিন্ন রাজ্য মিলিয়ে এই প্রক্রিয়ায় মোট ১৫টি আঞ্চলিক
গ্রামীণ ব্যাঙ্ক একত্রিত করা হবে। সেই তালিকার মধ্যে রয়েছে ,পশ্চিমবঙ্গ,বিহার,ওড়িশা, উত্তরপ্রদেশ,অন্ধ্রপ্রদেশ,মধ্যপ্রদেশ,গুজরাট,মহারাষ্ট্র,রাজস্থান,জম্মু-কাশ্মীর প্রভৃতি রাজ্যগুলি। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়,পশ্চিমবঙ্গ,উত্তরপ্রদেশ ও অন্ধ্রপ্রদেশের ৩টি করে ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করা হবে। অন্যান্য রাজ্যগুলিতে ২টি করে আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক সংযুক্তকরণ হবে। সূত্রের আরও খবর,সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,গ্রামীণ ও আঞ্চলিক ব্যাঙ্কগুলির একত্রীকরণের জন্য নাবার্ডের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। এই সংযুক্তকরণ প্রক্রিয়া শেষ হলে দেশে গ্রামীণ আঞ্চলিক ব্যাঙ্কের সংখ্যা দাঁড়াবে ৪৩ থেকে ২৮টি ।

এ বিষয়ে আরও জানা যায়,আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলিকে স্পনসর ব্যাঙ্কের থেকে মতামত চেয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক পরিষেবা দফতর। উল্লেখ করা যায়,২০০৪-২০০৫সাল থেকে আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কের সংযুক্তকরণ পর্ব শুরু হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে এই ধরণের ব্যাঙ্কের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯৬ থেকে ৪৩টি। এরপর তার সংখ্যা আরও কমবে। প্রধানত গ্রামীণ এলাকার মানুষদের ঋণের মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা করা হয় গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলিকে। রিজিওনাল রুরাল ব্যাঙ্ক আইন -১৯৭৬ মেনে এইসব ব্যাঙ্কগুলি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির ৫০ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের। এছাড়া ৩৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব স্পনসর ব্যাঙ্কের। বাকি ১৫ শতাংশ রাজ্য সরকারের। (ছবিঃসংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *