ambika kalna and history Entertainment Others Travel 

অম্বিকা কালনার পথে-প্রান্তরে

অম্বিকা অম্বা কালীর এক রূপ। এখানকার খ্যাতি ছড়িয়ে রয়েছে মহাপ্রভু চৈতন্যের আগমনকে কেন্দ্র করে। তবে জনপ্রিয় পর্যটন ক্ষেত্র বলতে ১০৮ শিবমন্দির। রয়েছে রাজবাড়ি। টেরাকোটার কাজ সমৃদ্ধ মন্দিরও এখানে দেখতে পাবেন। লালজি মন্দিরের দর্শন মিলবে এখানে। পাবেন মন্দিরময় গ্রাম বাংলার স্পর্শ। প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে রাসমঞ্চ ও নাটমন্দিরের দেখা মিলবে। জেলার প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, গিরিগোবর্ধন মন্দির,রূপেশ্বর মন্দির,কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির ও ভবাপাগলা মন্দির সহ একাধিক মন্দির। কোথায়- কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন?প্রথমে জেনে নিন এটি কোথায়। ভাগীরথীর পশ্চিম পাড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার অম্বিকা কালনা। আকর্ষণের বিষয় হল-মহাপ্রভু চৈতন্যের পদধূলি পড়েছিল এখানে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে,এখানে এসে তিনি বিশ্রাম নিয়েছিলেন।
আমলীতলার বিশ্রামস্থলে মহাপ্রভুর পদচিহ্ন শোভা পায়। সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নজরে আসবে। এটি অম্বিকা সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নামে পরিচিত। নিমকাঠে নির্মিত দেবী এখানে বামা কালী হিসাবে পূজিত হয়ে থাকেন। কথিত রয়েছে,ঋষি
অম্বরীশ প্রাচীনকালে এই দেবীর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। টেরাকোটার কারুকার্যে পৌরাণিক কাহিনীর উল্লেখ পাওয়া যায়। এই জেলায় ১০৮ শিবমন্দিরের দর্শন পাবেন।

Read More
bakkhali sea beach Entertainment Others 

অপূর্ব বকখালির সমুদ্র সৈকত

দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। একটি গ্রাম বললেই ঠিক বলা হবে। সমুদ্রতট বিস্তৃত এবং অগভীর। স্থানটিতে বঙ্গোপসাগরের উথাল-পাথাল ঢেউ দেখা যায় না। জোয়ারে জলপূর্ণ থাকলেও ভাটায় সমুদ্র অনেক দূরে অবস্থান করে। সাদা বালির শক্ত বিচ ধরে হাঁটার আনন্দ রয়েছে। ভ্ৰমণ বিলাসীরা ঢেউ স্পর্শ করতে অনেক দূর পর্যন্ত চলে যান। ভ্রমণের আনন্দে পা ভিজিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকে উপভোগ করেন সমুদ্রের উন্মাদনা। হ্যাঁ, বুঝতেই পারছেন বকখালির কথা বলছি। কাছাকাছি একটু ঘুরে আসার জন্য বকখালি এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দীঘার পর বাংলার সমুদ্র সৈকত বলতে বকখালির নাম উঠে আসবে। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবনার কোনও কারণ নেই। শিয়ালদহ থেকে ট্রেন যোগে গেলে নামতে হবে নামখানা। সেখান থেকে বাস অথবা গাড়ি করে বকখালি পৌঁছে যাওয়া যায়। দূরত্ব প্রায় ২৭ কিমি। আবার কলকাতা থেকে সড়ক পথে দূরত্ব প্রায় ১২৫ কিমির মতো। বকখালির সমুদ্র সৈকতের যেমন অপূর্ব সৌন্দর্য তেমনি ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ আপনাকে মুগ্ধ করবে।

Read More
sundarban ture Entertainment Enviornment Others Travel 

বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অঞ্চল। উপকূলবর্তী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ অঞ্চল। ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এক অদ্ভুত বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় এখানে। জলে কুমির ও ডাঙ্গায় বাঘের মুক্তাঞ্চল বলা হয়ে থাকে। সুন্দরী-গরান-হেঁতাল সহ নানা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সমাহার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জুড়ে যে জল-জঙ্গলময় অরণ্য রয়েছে সে কথাই তুলে ধরতে চাই। এখানে জলযানই একমাত্র গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। নদীর দু-পাশে অরণ্য ও জলরাশি বেষ্টিত। আশাকরি বুঝতেই পারছেন কোথাকার কথা বলছি। বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন? শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ক্যানিং পৌঁছে সুন্দরবন যাওয়া যায়। এছাড়া গাড়ি নিয়ে বাসন্তী ব্রিজ পার হয়ে গোসাবা পৌঁছেও সুন্দরবন যাওয়া যায়। তবে সজনেখালিতে বনদফতরের অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলেই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রথমেই জেনে নিন-সোনাখালি,ঝড়খালি,নামখানা,ধামাখালি,গদখালি,হাসনাবাদ থেকে সুন্দরবন ভ্ৰমণ শুরু করা যায়।

Read More
books and read Breaking News Entertainment Others 

হাতেই জগৎ বইয়ের গন্ধ কই !

শীতকাল এলেই মেলা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শীত হবে মেলাবিহীন, এটা ভাবা যায় না। বাঙালি ও বাংলায় শীত ও মেলা শব্দ দুটি একে ওপরের পরিপূরক। রাজ্যের কয়েকটি জেলায় অন্য মেলার চেয়ে বইমেলা অন্য মাত্রা পেয়ে আসছে। অনেক স্থানে বইমেলার গরিমা,কৌলিন্য ও উৎকর্ষ বজায় রাখার চেষ্টা চলে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞমহলের একাংশের বক্তব্য, বইমেলা মানেই জ্ঞান ও শিক্ষার মেলা। লেখক-পাঠকের মিলনমেলা হল-বইমেলা। সারা বাংলার গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে বইমেলা ছড়িয়ে । বইমেলার গরিমা আজও অটুট রয়েছে এমন কথাও বলা হয়। বিশেষজ্ঞমহলের অন্য একটি অংশের মত,বই পড়ার পাঠক আর আগের মতো আছে কি! সব বই যে পড়া হয় এমনও নয়। পাঠক সংখ্যা ক্রমশ কমছে। পাঠকহীনতার বিষয়টি সামনে চলে আসে বইমেলার প্রসঙ্গ এলেই। পাঠকের ওপর নির্ভর করেই মূলত চলে বইমেলা। একটা সময় শীতের রোদে পিঠ দিয়ে মা-জেঠিমা-বাবা-কাকারা গল্প-উপন্যাস সহ নানা ধরণের বই পড়তেন। সেই ছবিটা এখন উধাও।

Read More
raj kapur birthday Entertainment Others 

রাজকাপুরের জন্মদিবস

১৯২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাজকাপুরের জন্মদিবস। অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে তাঁর জন্ম। বলিউডের শোম্যান হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন তিনি। প্রখ্যাত এই অভিনেতা “শ্রী ৪২০”,”মেরা নাম জোকার”,”আনাড়ি” সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে পেয়েছিলেন পদ্মভূষণ সম্মান। ১৯৮৭ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান।

Read More
librari and rural Breaking News Entertainment Others 

সেকালের ঐতিহ্য পাঠাগার

মোবাইলের রমরমা যুগে লাইব্রেরির গুরুত্ব কমেছে। গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে
পঠন-পাঠনের বা জ্ঞানভাণ্ডার সমৃদ্ধ করার একমাত্র অবলম্বন ছিল পাঠাগার-লাইব্রেরি। গ্রামাঞ্চলে এক সময়ের গর্ব ছিল লাইব্রেরি। এখন যুগের পরিবর্তন হয়েছে। আধুনিক যুগে মোবাইল বা মুঠোফোনের বাড়বাড়ন্ত। সময়ের সাথে সাথেই আধুনিক ভাবনা। অনেক কিছু অচল করে সচল হল মোবাইল ফোন। বর্তমান সময়ে পড়ার চেয়ে দেখার প্রবণতা বেড়েছে। বই,সংবাদপত্র বা পত্র-পত্রিকা পড়ার মানুষ কমেছে।

Read More
rakhi festival Breaking News Entertainment Others 

রাখিবন্ধন উৎসব : মহাজাগতিক ঘটনা

রাখিবন্ধন উৎসব। রাখি উৎসব ভাই-বোনদের একটি অন্যতম উৎসব হিসেবে পরিচিত। রাখি বন্ধন উৎসব এই বছর পালিত হবে ৩০ আগস্ট ও ৩১ আগস্ট। প্রস্তুতি শুরু ভাই-বোনেদের। উল্লেখ্য,প্রাচীন যুগ থেকে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করে হাতে রাখি পরিয়ে দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে বোনেদের। বোনের সুরক্ষার দায়িত্বও নিয়ে থাকে ভাইয়েরা। অন্যদিকে রাখিপূর্ণিমায় বিরল মহাজাগতিক ঘটনার সাক্ষী থাকবে গোটা বিশ্ব। আকাশে দৃশ্যমান হবে বিরল সুপার ব্লু মুন। জ্যোতিবিজ্ঞানীদের মতে, অনুসূর অবস্থানে থাকাকালীন পূর্ণিমা হলে চাঁদকে পৃথিবী থেকে দেখতে অনেক বড় মনে হয়। সেই চাঁদকে বলা হয়ে থাকে “সুপারমুন”।

Read More
turner died Breaking News Entertainment Others World 

টিনা টার্নারের প্রয়াণ

কুইন অফ রক এন রোল গায়িকা টিনা টার্নারের প্রয়াণ। সুইজারল্যান্ডের জুরিখে নিজের বাড়িতেই প্রয়াত হয়েছেন। ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। ১৯৩৯ সালের ২৬ নভেম্বর তাঁর জন্ম। টেনেসির নাটবুশে তিনি জন্মেছিলেন। টিনা টার্নারের গানের ১৮০ লক্ষের বেশি অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে। ১২টি গ্র্যামি পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন কুইন অফ রক এন রোল।

Read More
jamai sasthi 2 Breaking News Entertainment Others 

দুয়ারে জামাই : ষষ্ঠীর রসনাতৃপ্তি

শ্বশুরবাড়িতে জামাই আদর। জামাইষষ্ঠীতে জামাইয়ের কদর। দুয়ারে জামাই তাঁর আপ্যায়ন। আয়োজনে খামতি রাখা যাবে না। তাই রোদে-পুড়ে ছোটাছুটি ! জামাইদের কাছে বিশেষ দিন। রসনাতৃপ্তির প্রস্তুতি জোরকদমে। বাড়তি দায়িত্ব শাশুড়িদের। আদরের জামাই তাই জমাটি পেটপুজো। সেকেলে জামাইষষ্ঠীর পর্বটা একালে অনেক বদলে গিয়েছে। এসে গিয়েছে “দুয়ারে খালি”। অভিনব তার আয়োজন। শহরতলীর জীবনে জামাইদের জন্য রেস্তোরাঁ ও ক্যাটারারদের নয়া থালি নতুন চমক। জামাইষষ্ঠী স্পেশ্যাল বলে খ্যাত হয়েছে। বাজার আগুন। তার মধ্যে এই বিশেষ পার্বণের সাধ্যমতো তোড়জোড়। আমিষ ছাড়াও নিরামিষভোজী জামাইদের দেখা মেলে
এই বাজারে। তাই খাসির মাংস, ইলিশ ভাপা ও ভেটকির পাতুরি বাদ রেখে জামাই আপ্যায়নে পনির কোপ্তা ও ছানার ডালনা
রাখতে হয়।

Read More