দুর্ধর্ষ ক্রাইম ড্রামা থেকে দারুন ডার্ক কমেডি! কাদের মনে জায়গা করে নেবে হুব্বা?

হুব্বা, পরিচালক ব্রাত্য বসুর নির্মিত একটি নতুন বাংলা চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি পশ্চিমবঙ্গের কুখ্যাত গ্যাংস্টার হুব্বা শ্যামলের জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। চলচ্চিত্রটিতে হুব্বার চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা মোশারফ করিম। চলচ্চিত্রের গল্প শুরু হয় হুব্বার শৈশব থেকে। হুব্বার বাবা শ্রীদুর্গা কটন মিলে কাজ করতেন। অভাবের সংসারে হুব্বার পড়াশোনার তেমন সুযোগ হয়নি। তিনি কেবলমাত্র স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত…

Read More

কলকাতায় এসে গুরুতর অসুস্থ ছেলে, নিজেকে অসহায় বোধ করছেন পরীমনি

বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির দেড় বছরের ছেলে পদ্ম গুরুতর অসুস্থ। রাস্তার ফল খেয়ে বিষক্রিয়ার কারণে পদ্মের শরীরে দুটি ভাইরাস সংক্রমিত হয়। এতে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে সাত দিন চিকিৎসার পরও পদ্মের অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অভিনেত্রী পরীমণি তাকে নিয়ে বুধবার রাতে কলকাতায় যান। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে পদ্মকে ভর্তি করা হয়েছে।…

Read More
book fair

বইমেলার কিছু কথা

চলছে বইমেলা। একাধিক নতুন বই আসবে মেলায়। বাঙালির বারো মাসে তেরো
পার্বণ। চোদ্দ পার্বণ হল-বইমেলা। বইয়ের পাঠক আর পাঠকের বই। এই মেলার সঙ্গে জুড়ে-জড়িয়ে রয়েছে বহু মানুষের রুটি-রুজি। ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়েছে ৪৭তম কলকাতা বইমেলা। চলবে ৩১জানুয়ারি পর্যন্ত। এ বছর কলকাতা পুস্তক মেলায় ফোকাল কান্ট্রি-গ্রেট ব্রিটেন। ১৯৭৬ সালের কলকাতা বইমেলা হল আজকের আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলা। ১৯৮৪ সালে এই বইমেলা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়। বর্তমানে কলকাতা বইমেলা বিশ্বের বৃহত্তম বইমেলা হিসেবে পরিচয় বহন করছে। কলকাতা বইমেলার ফোকাল থিম ধারণাটির সূত্রপাত হয়েছিল ১৯৯১সালে।
বিশ্বের প্রাচীনতম বইমেলাগুলির মধ্যে অন্যতম হল-কায়রো আন্তর্জাতিক বইমেলা। ১০৬৯ সালে এই বইমেলা শুরু হয়েছিল। মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এই বইমেলার আয়োজন হয়। “জেনারেল ইজিপশিয়ান বুক অর্গানাইজেশন” এর আয়োজন করে। আরবীয় প্রকাশনার জগতে এই বইমেলা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

Read More
book fair 2024

কলকাতা বইমেলা-২০২৪ : উদ্বোধন ১৮ জানুয়ারি

৪৭তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলার উদ্বোধন আগামী ১৮ জানুয়ারি। কলকাতা বইমেলা-২০২৪ বিকাল ৪টায় করুণাময়ী সেন্ট্রাল পার্কে উদ্বোধন হবে। আয়োজক সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বইমেলা উদ্বোধন করবেন। ভারতের ব্রিটিশ উপ হাই কমিশনার আলেক্স এলিস সি এম জি এবং ভারতে ব্রিটিশ কাউন্সিলের কান্ট্রি ডিরেক্টার এলিসন ব্যারেট এম বি ই সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি বিশিষ্ট সাহিত্যিক বানী বসু সহ প্রখ্যাত কবি সাহিত্যিকরা উপস্থিত থাকবেন। এবার বইমেলা ভার্চুয়ালি দেখা যাবে বইমেলার সোশ্যাল মিডিয়া পেজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। বইমেলার সব গেটে কিউ আর কোড থাকবে। এই কিউ আর কোড স্ক্যান করে ডিজিটাল ম্যাপ ও বিবরণ পেতে পারবেন। লেখক-প্রকাশক ও পাঠকদের নিয়ে থাকবে আলোচনা সভা। লিটল ম্যাগাজিন সহ ছোট-মাঝারি – বড় প্রকাশকদের স্টল ও টেবিল মিলিয়ে থাকছে প্রায় এক হাজার। ৯টি গেট থাকবে বই মেলায়। লন্ডনের টাওয়ার ব্রিজের আদলে একটি গেট অলঙ্কৃত থাকবে। আয়োজক সূত্রে আরও জানা যায়, এ বছর কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় অংশগ্রহণ করছে ২০টি দেশ। লিটল ম্যাগাজিন প্যাভেলিয়ন হবে সন্দীপ দত্তের নামে। শিশু-কিশোরদের প্যাভেলিয়ন হবে ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়ের পান্ডব গোয়েন্দাদের আদলে। প্রখ্যাত সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার ও এ এস রায়াতের নামে থাকবে দুটি হল। থাকবে এইচ ডি এফ সি আর্গো প্রেস কর্ণার। বেথুন স্কুলের ১৭৫ তম বর্ষ উৎযাপনে ওই স্কুলের আদলে থাকছে একটি গেট। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ও সমরেশ বসুর জন্ম শতবর্ষ স্মরণে দুটি মুক্তমঞ্চ থাকছে।

Read More
ganggasagar

দেশের অন্যতম সেরা গঙ্গাসাগর মেলা

গঙ্গাসাগরে মকর সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে পুণ্যস্নানে জনপ্লাবন। গঙ্গাসাগর মেলায় এ বছর পূর্ণ্যাথী সংখ্যা ১কোটি অতিক্রম করেছে বলে খবর। যা সর্বকালীন রেকর্ড বলা হচ্ছে। গঙ্গাসাগর মেলার প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণে সাগরদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এটি। কপিলমুনির আশ্রমে প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে এই মেলা বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে আসছে। গঙ্গা নদী বা হুগলি নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থানকে বলা হয়ে থাকে গঙ্গাসাগর। বাংলার তীর্থভূমি হিসেবে পরিচয় বহন করে আসছে। আবার মেলাভূমিরও রূপ নিয়েছে। দুয়ের মেলবন্ধনে গঙ্গাসাগর-মেলা। উল্লেখ করা যায়, সাগরদ্বীপের দক্ষিণপ্রান্তে হুগলি নদী বা গঙ্গা নদী বঙ্গোপসাগরে এসে মিলেছে। সাগরদ্বীপ হল- বঙ্গোপসাগরের মহাদেশীয় অবস্থানের একটি দ্বীপ। কলকাতা শহরের ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গঙ্গাসাগর।

Read More
ambika kalna and history

অম্বিকা কালনার পথে-প্রান্তরে

অম্বিকা অম্বা কালীর এক রূপ। এখানকার খ্যাতি ছড়িয়ে রয়েছে মহাপ্রভু চৈতন্যের আগমনকে কেন্দ্র করে। তবে জনপ্রিয় পর্যটন ক্ষেত্র বলতে ১০৮ শিবমন্দির। রয়েছে রাজবাড়ি। টেরাকোটার কাজ সমৃদ্ধ মন্দিরও এখানে দেখতে পাবেন। লালজি মন্দিরের দর্শন মিলবে এখানে। পাবেন মন্দিরময় গ্রাম বাংলার স্পর্শ। প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে রাসমঞ্চ ও নাটমন্দিরের দেখা মিলবে। জেলার প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, গিরিগোবর্ধন মন্দির,রূপেশ্বর মন্দির,কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির ও ভবাপাগলা মন্দির সহ একাধিক মন্দির। কোথায়- কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন?প্রথমে জেনে নিন এটি কোথায়। ভাগীরথীর পশ্চিম পাড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার অম্বিকা কালনা। আকর্ষণের বিষয় হল-মহাপ্রভু চৈতন্যের পদধূলি পড়েছিল এখানে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে,এখানে এসে তিনি বিশ্রাম নিয়েছিলেন।
আমলীতলার বিশ্রামস্থলে মহাপ্রভুর পদচিহ্ন শোভা পায়। সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নজরে আসবে। এটি অম্বিকা সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নামে পরিচিত। নিমকাঠে নির্মিত দেবী এখানে বামা কালী হিসাবে পূজিত হয়ে থাকেন। কথিত রয়েছে,ঋষি
অম্বরীশ প্রাচীনকালে এই দেবীর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। টেরাকোটার কারুকার্যে পৌরাণিক কাহিনীর উল্লেখ পাওয়া যায়। এই জেলায় ১০৮ শিবমন্দিরের দর্শন পাবেন।

Read More
bakkhali sea beach

অপূর্ব বকখালির সমুদ্র সৈকত

দক্ষিণ ২৪ পরগণার সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। একটি গ্রাম বললেই ঠিক বলা হবে। সমুদ্রতট বিস্তৃত এবং অগভীর। স্থানটিতে বঙ্গোপসাগরের উথাল-পাথাল ঢেউ দেখা যায় না। জোয়ারে জলপূর্ণ থাকলেও ভাটায় সমুদ্র অনেক দূরে অবস্থান করে। সাদা বালির শক্ত বিচ ধরে হাঁটার আনন্দ রয়েছে। ভ্ৰমণ বিলাসীরা ঢেউ স্পর্শ করতে অনেক দূর পর্যন্ত চলে যান। ভ্রমণের আনন্দে পা ভিজিয়ে দাঁড়িয়ে থেকে অনেকে উপভোগ করেন সমুদ্রের উন্মাদনা। হ্যাঁ, বুঝতেই পারছেন বকখালির কথা বলছি। কাছাকাছি একটু ঘুরে আসার জন্য বকখালি এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দীঘার পর বাংলার সমুদ্র সৈকত বলতে বকখালির নাম উঠে আসবে। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবনার কোনও কারণ নেই। শিয়ালদহ থেকে ট্রেন যোগে গেলে নামতে হবে নামখানা। সেখান থেকে বাস অথবা গাড়ি করে বকখালি পৌঁছে যাওয়া যায়। দূরত্ব প্রায় ২৭ কিমি। আবার কলকাতা থেকে সড়ক পথে দূরত্ব প্রায় ১২৫ কিমির মতো। বকখালির সমুদ্র সৈকতের যেমন অপূর্ব সৌন্দর্য তেমনি ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ আপনাকে মুগ্ধ করবে।

Read More
sundarban ture

বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অঞ্চল। উপকূলবর্তী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ অঞ্চল। ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এক অদ্ভুত বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় এখানে। জলে কুমির ও ডাঙ্গায় বাঘের মুক্তাঞ্চল বলা হয়ে থাকে। সুন্দরী-গরান-হেঁতাল সহ নানা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সমাহার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জুড়ে যে জল-জঙ্গলময় অরণ্য রয়েছে সে কথাই তুলে ধরতে চাই। এখানে জলযানই একমাত্র গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। নদীর দু-পাশে অরণ্য ও জলরাশি বেষ্টিত। আশাকরি বুঝতেই পারছেন কোথাকার কথা বলছি। বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন? শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ক্যানিং পৌঁছে সুন্দরবন যাওয়া যায়। এছাড়া গাড়ি নিয়ে বাসন্তী ব্রিজ পার হয়ে গোসাবা পৌঁছেও সুন্দরবন যাওয়া যায়। তবে সজনেখালিতে বনদফতরের অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলেই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রথমেই জেনে নিন-সোনাখালি,ঝড়খালি,নামখানা,ধামাখালি,গদখালি,হাসনাবাদ থেকে সুন্দরবন ভ্ৰমণ শুরু করা যায়।

Read More
books and read

হাতেই জগৎ বইয়ের গন্ধ কই !

শীতকাল এলেই মেলা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শীত হবে মেলাবিহীন, এটা ভাবা যায় না। বাঙালি ও বাংলায় শীত ও মেলা শব্দ দুটি একে ওপরের পরিপূরক। রাজ্যের কয়েকটি জেলায় অন্য মেলার চেয়ে বইমেলা অন্য মাত্রা পেয়ে আসছে। অনেক স্থানে বইমেলার গরিমা,কৌলিন্য ও উৎকর্ষ বজায় রাখার চেষ্টা চলে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞমহলের একাংশের বক্তব্য, বইমেলা মানেই জ্ঞান ও শিক্ষার মেলা। লেখক-পাঠকের মিলনমেলা হল-বইমেলা। সারা বাংলার গ্রামাঞ্চল ও শহরাঞ্চলে বইমেলা ছড়িয়ে । বইমেলার গরিমা আজও অটুট রয়েছে এমন কথাও বলা হয়। বিশেষজ্ঞমহলের অন্য একটি অংশের মত,বই পড়ার পাঠক আর আগের মতো আছে কি! সব বই যে পড়া হয় এমনও নয়। পাঠক সংখ্যা ক্রমশ কমছে। পাঠকহীনতার বিষয়টি সামনে চলে আসে বইমেলার প্রসঙ্গ এলেই। পাঠকের ওপর নির্ভর করেই মূলত চলে বইমেলা। একটা সময় শীতের রোদে পিঠ দিয়ে মা-জেঠিমা-বাবা-কাকারা গল্প-উপন্যাস সহ নানা ধরণের বই পড়তেন। সেই ছবিটা এখন উধাও।

Read More
raj kapur birthday

রাজকাপুরের জন্মদিবস

১৯২৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাজকাপুরের জন্মদিবস। অবিভক্ত ভারতের পেশোয়ারে তাঁর জন্ম। বলিউডের শোম্যান হিসেবে পরিচিত হয়েছিলেন তিনি। প্রখ্যাত এই অভিনেতা “শ্রী ৪২০”,”মেরা নাম জোকার”,”আনাড়ি” সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। ১৯৭১ সালে পেয়েছিলেন পদ্মভূষণ সম্মান। ১৯৮৭ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান।

Read More