দক্ষিণেশ্বর মন্দির খোলার ঘোষণা আগামীকাল
দক্ষিণেশ্বর মন্দির খোলার তৎপরতা শুরু। সূত্রের খবর, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য কবে মন্দির খোলা হবে, তার ঘোষণা হবে আগামীকাল। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণেশ্বর মন্দির খোলার তৎপরতা শুরু। সূত্রের খবর, ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য কবে মন্দির খোলা হবে, তার ঘোষণা হবে আগামীকাল। উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যবিধির বিষয়টি নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।
কপিল মুনির মন্দির খুলে গেল। সোমবার মন্দিরের মোহন্ত দরজা উন্মুক্ত করলেন। স্থানীয় সূত্রের খবর, ৭৩ দিনের মাথায় এই মন্দির খোলা হল।
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ ১জুন থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে আনলক ওয়ান।ধীরে ধীরে খুলছে সরকারি ও বেসরকারি অফিস-কাছারি।লকডাউনের প্রবল ধাক্কা সামলে অর্থনীতির চাকা ঘোরানোর চেষ্টায় রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের সূচনা করেছে।ইতিমধ্যে সামাজিক পেনশন প্রকল্পে গরিব, তফসিলি জাতি-উপজাতিদের জন্য এক হাজার টাকা করে পেনশন দেওয়া হচ্ছে।এরজন্য আটশো পঞ্চাশ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে।এছাড়াও লজিস্টিক হাব তৈরি ও…
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষকমহলের জন্য কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা আসতে চলেছে।কোভিড চলে গেলেও, তার রেশ থাকবে বহুদিন, এমনটাই আন্দাজ করছেন বিশেষজ্ঞমহল।এই পরিস্থিতিতে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পড়ানোর নতুন চিন্তা-ভাবনা চলছে।অনলাইন ক্লাস কিভাবে করাতে হবে, তার জন্য প্রায় ৪০০ পাতার একটি নিয়ম-বিধি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এন…
“আম্ফান”-এর এক পক্ষকাল অতিক্রান্ত। মূল ভূ-খণ্ডের সঙ্গে এখনও সাগরদ্বীপের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। সূত্রের খবর, ঝড় ও মুড়িগঙ্গার জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত সাগরের কচুবেড়িয়া জেটিঘাটের ১ নম্বর জেটি।
লোকশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, লকডাউন পর্বে রাজস্ব সংগ্রহ বন্ধ প্রায়। তবে এই অবস্থাতেও কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পই বন্ধ করছেন না মুখ্যমন্ত্রী।
আম্ফান-এ ক্ষয়-ক্ষতি প্রচুর। সাধারণ মানুষ, চাষি ও মৎস্যজীবী-সহ বহু মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত। স্কুল পড়ুয়ারাও ছাড় পায়নি। সূত্রের খবর, আর্থিক লোকসান শুধু নয়, পড়ুয়াদের সমস্যা পড়াশোনা সংক্রান্ত।
নির্দেশ ও শর্তাবলী মেনে বেলুড়মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনের সব বিভাগ চালু হবে ১৫ জুন।
নেচার ইন্ডেক্স ২০২০ সালের রাঙ্কিংয়ের রিপোর্ট সামনে এনেছে। সূত্রের খবর, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থান পেয়েছে এসআরএম ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (কাট্টানকুলাথুর)।
ভারতীয় ডাকবিভাগ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের চাহিদাকে গুরুত্ব দিতে চলেছে। সূত্রের খবর, লকডাউন চলাকালীন চিঠি ও পার্সেল পাঠানোর কাজ অনেকটাই বন্ধ ছিল।