৩০ বছরের মধ্যে ধানের ফলন কমে যাবে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

expart and paddy

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:৩০ বছরের মধ্যে খাদ্যতালিকা থেকে ভাত উধাও হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে। এমনই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে অধ্যাপক প্রশান্ত কলিতার মন্তব্য, এই উদ্বেগের মূলে রয়েছে জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়টি। বাঙালিদের প্রধান খাদ্য এটি। তবে এশিয়ার অনেকগুলো দেশেও খাদ্যতালিকার মধ্যে থাকে নানা ভাতের ব্যবহার। ইউনাইটেড স্টেটসের ইউনিভার্সিটি অফ ইলিনয়ের ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড বায়োলজিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক প্রশান্ত কলিতা এ বিষয়ে জানিয়েছেন,পরিস্থিতি উদ্বেগের, তা হাতে-কলমে প্রমাণও পাওয়া গিয়েছে। বিহারের বেশ কয়েকটি ধানজমি ও তাদের ফলন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এক সমীক্ষায় এই তথ্য সামনে এসেছে । উল্লেখ করা যায়,এই সমীক্ষায় মূলত কাজ করা হয়েছে বিহারের বরলগ ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ এশিয়ার অধীনে থাকা ধানজমিগুলো নিয়ে।

অধ্যাপক কলিতা এ বিষয়ে জানিয়েছেন,এই উদ্বেগের মূলে রয়েছে জলবায়ুর পরিবর্তনের মতো বিষয়টি। জলবায়ু বদলানোর সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে বদলাতে থাকে উত্তাপ। বদলে যায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও বাতাসে জমে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ। এই সব বিষয়ই ধানের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ, তা জানিয়েছেন তিনি। সমীক্ষা অনুযায়ী আরও বলা হয়েছে,বর্তমানে যে পদ্ধতিতে ধান চায করা হয়, তা অব্যাহত থাকলে ৩০ বছরের মধ্যে ফলন কমে যাবে আশঙ্কাজনক ভাবে। এটি রুখতে সয়েল কনজারভেশন টেকনোলজিতে নজর দেওয়া জরুরি। পাশাপাশি অপচয়ও ঠেকাতে হবে। চাষে ব্যবহার হওয়া জলের পরিমাণের বিষয়টিও সামনে এসেছে। এক্ষেত্রে আরও বলা হয়েছে,বর্তমান পদ্ধতিতে ১ কেজি চাল উৎপাদনের জন্য ৪০০০ লিটার জল প্রয়োজন হয়। ধানগাছের বেড়ে ওঠা, ফলনের পরিমাণ এবং জলবায়ুর পরিবর্তনের উপরে ভিত্তি করে এই তথ্য সামনে আনা হয়েছে।

খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *