বিশ্বে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞমহল

radioactive

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সাল শুরু থেকেই একের পর এক বিপর্যয়ের মুখোমুখি বিশ্ব ৷ একদিকে মহামারী রূপে করোনা ভাইরাস, আম্ফান, পঙ্গপালের আক্রমণ। তো অন্যদিকে বিশ্বের কোনও প্রান্তে চলছে ধুলোঝড় গডজিলা-র দাপট কিংবা ধেয়ে আসছে উল্কাপিন্ড। এবার ফের নয়া বিপদের সম্মুখীন ধরিত্রী। আর এই ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের আশঙ্কায় প্রমাদ গুণছেন বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞমহল।

কী সেটা ? জানা গিয়েছে, হঠাৎ করেই বাতাসে বৃদ্ধি পেয়েছে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা। আর তেজস্ক্রিয়তার এই তথ্যে ইউরোপ জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি। সূত্রের খবর, কোনও এক অজানা কারণেই উত্তর ইউরোপ ও সুমেরুর বায়ুমণ্ডলে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা হঠাৎই বেড়ে গিয়েছে। আর এতেই বিপদের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞমহল। ইতিমধ্যেই বাতাসে হঠাৎ করে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা এত বেশি বেড়ে যাওয়ার কারণ খুঁজতে শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা ৷ তবে এখনও নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি বলে খবর।

সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা যায়, একদল বিজ্ঞানীর বিশ্লেষণ করে জানিয়েছেন, রাশিয়ার দিক থেকে অজানা কোনও তেজস্ক্রিয় বিকিরণ আসছে। অন্যদিকে রাশিয়ার দাবি, তাদের নিউক্লিয়ার প্লান্টে কোনও সমস্যা নেই। উল্লেখ্য, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ এবং মুরমানস্কের কাছে রয়েছে একটি করে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট। আবার রাশিয়ান এজেন্সি সূত্রে বলা হয়েছে, তাদের ওই দুটি নিউক্লিয়ার প্লান্টের রেডিয়েশন স্বাভাবিক স্তরেই রয়েছে।

এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীদের ধারণা, অতিরিক্ত মাত্রায় তেজস্ক্রিয়তা মানুষ সহ প্রাণীদের শরীরে ভয়াবহ ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তাঁদের দাবি, বিকিরণের মাত্রা অতিরিক্ত ছাড়ালে বিলুপ্ত হতে পারে কিছু প্রাণী ও প্রজাতি। জানা যায়, ফিনল্যান্ড, স্ক্যান্ডেনেভিয়া সহ আন্টার্টিকের বেশ কিছু অংশে দেখা গিয়েছে ওই রেডিয়েশন। নরওয়ে ও সুইডেনের নিউক্লিয়ার সেফটি সংক্রান্ত সংস্থা ‘দ্য ফিনিশ’ সূত্রে জানানো হয়েছে, বাতাসে রেডিয়েশন লেভেল বাড়লেও তা এখনও মানুষের পক্ষে হানিকারক হয়ে ওঠেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *