মন্তেশ্বরের পিপলন পঞ্চায়েত ভার্মি কম্পোষ্ট প্রস্তুত করে পেল সাফল্য

Varmi Compost

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : কেঁচো সার তৈরি করে বিক্রি করবে মন্তেশ্বরের পিপলন পঞ্চায়েত। সূত্রের খবর, এই পঞ্চায়েতের উদ্যোগে চলছে ভার্মি কম্পোষ্ট বা কেঁচো সার তৈরির প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, প্রতি মাসে ১০ টন সার তৈরির লক্ষ্যমাত্রা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতকে ওই সার বিক্রি করা হবে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। সূত্রের আরও খবর, ফার্মে কর্মীরা এক টন সার প্রস্তুত করেছেন। কেজি প্রতি যার দাম ৮ টাকা। আবার সেখানে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে বনসৃজন ও নার্সারি তৈরির কাজ চলছে।

উল্লেখ্য, পিপলন পঞ্চায়েতে ভার্মি কম্পোষ্ট সার বা কেঁচো সার তৈরির বড় প্রজেক্ট তৈরি করা হয়েছে। কয়েকজনের কর্মসংস্থান হয়েছে। আগামী দিনে উৎপাদন বাড়ানো হবে। এক্ষেত্রে আরও জানা গিয়েছে, যেসব পঞ্চায়েতে বনসৃজন ও নার্সারির কাজ হচ্ছে, সেখানে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে ভার্মি কম্পোষ্ট সার দেওয়া হবে। আবার বাইরে থেকে কিনলে এর দাম বেশি। এক্ষেত্রে এক পঞ্চায়েত বিক্রি করছে, আরেক পঞ্চায়েত কিনছে। প্রসঙ্গত, দেনুড় পঞ্চায়েতকে এক টন সার বিক্রি করা হচ্ছে। এরপর মাঝেরগ্রাম ও শুশুনিয়া প্রভৃতি গ্রাম পঞ্চায়েতকে বিক্রি করা হবে।

স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরির ফার্ম হাউস হিসাবে দেড় বিঘা খাস জমি চিহ্নিত করা হয়। ১০০ দিনের কাজ এবং বেশ কয়েকটি প্রকল্প থেকে ৩৪ লক্ষ টাকা প্রজেক্ট ব্যয় ধরা হয়। পাশাপাশি ওই জায়গায় বিল্ডিং, শেড ও সাবমার্সিবল পাম্প প্রভৃতি গড়ে ওঠে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ওই সার তৈরি করার যাবতীয় খুঁটিনাটি জানানোর জন্য প্রস্তুতিও চলেছে। পিপলন গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রের আরও খবর, এক টন ভার্মি কম্পোষ্ট সার তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়। কলাগাছ, গোবর, কচুরিপানা, কেঁচো ও বিভিন্ন বাড়ি থেকে সংগ্রহ করা তরকারির খোসা ওই ফার্মে জমা করা হয়। এরপর বেশ কিছু প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ওই সার তৈরি হয়েছে। জানা যায়, মন্তেশ্বর ব্লক মূলত কৃষি প্রধান এলাকা। পূর্বে এখানে ধান বেশি উৎপাদিত হত। এখন তৈলবীজ, আলু ও পটল প্রভৃতির চাষ শুরু হয়েছে। এরফলে এই সারের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। সেইমতো পরিকল্পনা করে এই সার তৈরির ফার্ম হাউস তৈরি করা হয়। উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো এবং বেকারদের কর্মসংস্থানের কথাও ভাবা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *