চিকিৎসার নতুন গাইডলাইন স্বাস্থ্য দপ্তরের

health dipartment

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ সুরক্ষা বিধি বজায় রেখে নাক,কান ও গলার সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের জন্য চিকিৎসার নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, নাক, কান, গলা থেকেই করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন। নতুন এই এই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে কিছু নির্দেশিকা মেনে চলা জরুরি। যেমন- বহির্বিভাগের ক্ষেত্রে টেলি- মেডিসিনে বেশি জোর দেওয়া। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা প্রয়োজন।টেলিফোনে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে তবেই এপয়েন্টমেন্ট। একটা ঘরে একজন রোগীর পরীক্ষা এবং বহির্বিভাগে প্রবেশের আগে স্কিনিং। আবার লেবেল ওয়ান পিপিই কীট পরে রোগী দেখা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে এন- ৯৫ মাস্ক, গাউন , গ্লাভস , গগলস এবং ফেস শিল্ড ব্যবহার আবশ্যিক। এন্ডোস্কোপি ও বায়োপসির সময়ও চিকিৎসকদের পড়তে হবে লেভেল- ২ পিপিই। সেক্ষেত্রে শরীর ঢাকা গাউন , এন – ৯৫ মাস্ক , গ্লাভসও গগলস বাধ্যতামূলক। আবার ইন্ডোরের ক্ষেত্রে করোনা পরীক্ষা না করে হাসপাতালে ভর্তি নয়। ওয়ার্ডে ভিজিটর প্রবেশ নিষেধ। হেড এন্ড নেক সার্জারির ওয়ার্ডের দুই বেডের মধ্যে অন্তত দু মিটার দূরত্ব রাখা বাধ্যতামূলক। ট্র্যাকি ও ষ্টোমি থাকা রোগী এবং সাধারণ রোগীদের পৃথক রাখার ব্যবস্থা। ওটি-র ক্ষেত্রে ও নন -কোভিড রোগীর অস্ত্রোপচার হয়েছে, এমন ওটিতে কোনওভাবেই কোভিড আক্রান্তের অস্ত্রোপ্রচার নয়। একমাত্র আপৎকালীন পরিস্থিতিতে কোভিড -১৯ পজিটিভ ব্যক্তিদের অস্ত্রোপ্রচার করতে হবে। ন্যূনতম চিকিৎসক,চিকিৎসাকর্মী নিয়ে অস্ত্রোপ্রচার করার ব্যবস্থা। ডানিং-ডাফিঙ মানতে হবে যথাযথভাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *