সবুজায়নের প্রতি শহরবাসী মানুষের বিশেষ ঝোঁক বাড়ছে
আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : করোনা আবহে বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক। শৌখিন জিনিস কেনার আগ্রহ কমেছে। চারাগাছেই এখন মন শহরবাসীর। সূত্রের খবর, করোনা পরিস্থিতি ও আম্ফান বিধ্বস্ত রাজ্যে এবার নতুন আশা সবুজের বিকাশ। সবুজায়নে মন শহরবাসীর। নতুন এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে শৌখিন বস্তু ঘরে আনার প্রবণতা কমেছে। বেড়ে গিয়েছে গাছ কেনার ভাবনা। বিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে জানিয়েছেন, শহরের বিভিন্ন নার্সারিগুলি ঠিক একই কথাই বলছেন। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সবুজায়নের প্রতি মানুষের বিশেষ ঝোঁক দেখা যাচ্ছে। অন্যান্য ব্যবসার নিরিখে শহরের বিভিন্ন নার্সারিতে চারা গাছের বিক্রিও বেড়ে গিয়েছে বলে খবর।
সূত্রের আরও খবর, ফুল, ফল বা বাহারি পাতার গাছের চাহিদা পূর্বের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে। শিয়ালদহ স্টেশন চত্বর, দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন নার্সারি-সহ শহরের বিভিন্ন জায়গায় মানুষ শৌখিন গাছের খোঁজ-খবর করছেন। পছন্দের গাছ মিললেই কিনেও নিচ্ছেন। কলকাতা শহরের একটি নার্সারির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, করোনা সংক্রমণ ও আম্ফান বিপর্যয়ের পর থেকে শৌখিন জিনিসের চাহিদা কমে এসেছে মানুষের। পরিস্থিতি বিবেচনায় গাছ-গাছালিতে আগ্রহ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। নার্সারি সূত্রের আরও খবর, অনেক ক্রেতাই তুলসী, লাল জবা, লক্ষ্মী জবা, টগর, বেগমবাহার ও পাতাবাহার প্রভৃতি চারা গাছের খোঁজ করছেন এবং অর্ডারও দিচ্ছেন। দামও নাগালের মধ্যে। এই সময় লাল জবার দাম ৫০-৬০ টাকা, পাতাবাহার ৩০-৪০ টাকা, বেগমবাহার ৫০ টাকা ও টগর ৩০ টাকা পর্যন্ত। পছন্দমতো চারাগাছ পেয়ে গেলে তা নিয়ে গিয়ে বাড়ির ছাদ, বারান্দা বা লনের বিভিন্ন জায়গায় বসিয়ে দিচ্ছেন। অনেকে আবার খোঁজ করে যাচ্ছেন পরে কেনার জন্য।

