শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রতিমা নিরঞ্জনের নিয়মে বদলের সম্ভাবনা

Shobhabajar Rajbari_Kolkata

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: করোনা আবহে শোভাবাজার রাজবাড়ির দুর্গা পুজোর ভাসানে ঐতিহ্য রক্ষা করা সম্ভব হবে না এমনটাই মনে করছেন আয়োজকরা। উল্লেখ্য, ১৭৫৭ সালে শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজোর সূচনা করেছিলেন রাজা নবকৃষ্ণ দেব। ওই সময় থেকেই ভাসানের বেশ কিছু নিয়ম প্রচলিত রয়েছে সেখানে।

আয়োজক সূত্রের খবর, শোভাবাজার রাজবাড়ির প্রতিমা কাঁধে করে নিয়ে যাওয়া হয় বিসর্জনের ঘাট পর্যন্ত। এরপর নৌকার মাঝে বসানো হয় প্রতিমাকে। পরে মাঝ গঙ্গায় সরিয়ে দেওয়া হয় দুটি নৌকাকে। এই পদ্ধতিতেই শোভাবাজার ঠাকুর বাড়ির ঠাকুর বিসর্জন হয়। আয়োজক সূত্রের আরও খবর, শোভাবাজার রাজবাড়ির এই ভাসান পর্ব দেখার জন্য ভিড় জমান দেশ বিদেশের বহু মানুষ।

এবার করোনা সংক্রমণজনিত কারণে কাঁধে করে ঠাকুর নিয়ে যাওয়া ও ভাসানের নৌকা না পাওয়ায় সংশয় বেড়েছে। প্রসঙ্গত, শোভাবাজার রাজবাড়ির পুজো অনুষ্ঠিত হয় শাস্ত্র ও নিয়ম-নীতি মেনে। রাজবাড়িতে আচার-আচরণের কোনও খামতি থাকে না। কোভিড পরবর্তী পর্যায়ে এবার বেশ কিছু নিয়মের বদল হচ্ছে। তবে পুজোর উপাচারে কোনও বিঘ্ন ঘটবে না এমনটা বলা হয়েছে।

শোভাবাজার রাজবাড়ির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজবাড়ির পুজোয় ঠাকুর ভাসানে নৌকার ভূমিকা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। শোভাবাজার ঘাট থেকে দুটি নৌকার মাঝে বসানো হয় দেবী প্রতিমাকে। এক্ষেত্রে বাড়ির সদস্যরা ছাড়াও সেবাইতরা ভাগাভাগি করে বসেন দুটি নৌকায়। বাঁশ ও কাছি বা দড়ির সাহায্য নিয়ে প্রতিমা রাখা হয়। গঙ্গার মধ্যবর্তী অংশে নৌকা নিয়ে যাওয়ার পরপ্রতিমা নিরঞ্জন হয়। তবে এবার নিয়মে ছেদ পড়তে পারে বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *