প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ খারিজ হাইকোর্টে

teacher and bengal

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের আগে চাকরি প্রার্থীদের জন্য সুখবর। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবুজ সংকেত দিয়েছেন হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি মাসের ২ সপ্তাহের মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সমস্ত অফিসে তালিকা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সমস্ত অফিসে তালিকা দিতেও হবে। শিক্ষক নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই আবহে ১৬,৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে কার্যত সম্মতি দিয়েছে হাইকোর্ট। উল্লেখ করা যায়,এই মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছিল সিঙ্গল বেঞ্চ। এরপর বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিসন বেঞ্চ তুলে দিল ওই স্থগিতাদেশ। এবার শর্তসাপেক্ষে ১৫,২৮৪ পদে শিক্ষক নিয়োগ করতে পারবে রাজ্য।

সূত্রের আরও খবর,গত ২২ ফেব্রুয়ারির অন্তর্বর্তী আদেশ খারিজ করে ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছিল, চলতি মাসের ২ সপ্তাহে যথাযথ মেধা তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সমস্ত অফিসে তালিকা দিতে হবে। উল্লেখ করা যায়,রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া কার্যত শেষ হলেও আইনি জটিলতার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত হয় ।এরপর গত ২৩ ডিসেম্বর ১৬,৫০০ শূন্যপদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। টেট উত্তীর্ণ এবং যাঁদের প্রশিক্ষণ রয়েছে তাঁরাই এই পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন বলে পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল।
প্রসঙ্গত, এই শূন্যপদ পূরণের জন্য ইন্টারভিউ প্রক্রিয়াও নেওয়া হয়। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এই শিক্ষক নিয়োগের মেধা তালিকা প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে সব শূন্যপদের কেন মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়নি, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে পর্ষদ।

অন্যদিকে ৭ বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও এখনও পর্যন্ত স্কুল সার্ভিস কমিশন উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শেষ করতে পারেনি। এই নিয়ে নির্বাচনের মুখে অভিযোগ ওঠে। আইনি জটিলতার কারণে বিভিন্ন সময়ে উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া থমকে যায়। তবে আদালতের নির্দেশে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া শুরু করে স্কুল সার্ভিস কমিশন উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। এ বিষয়ে আরও জানা যায়, গত ১১ ডিসেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, রাজ্যে ১৬,৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক শূন্য পদে নিয়োগ দ্রুত করা হবে। গত ৩১ জানুয়ারি টিচার এলিজিবিলিটি টেস্টও নেওয়া হয়। তবে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট এর ফলাফল প্রকাশ ভোটের পূর্বে হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত নেই বলেই পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে। আজ হাইকোর্টের ডিভিশন এই মামলায় স্থগিতাদেশ খারিজ করে দেওয়ায় শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা কাটল বলে মনে করা হচ্ছে।

খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে দাঁড়াবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *