স্কুলের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন

Questions about the school environment

সন্তান স্কুলে পড়ে তাই অভিভাবকদের চিন্তারও শেষ নাই। বাবা-মা সহ সব অভিভাবকরা উদ্বেগে থাকেন। স্কুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ থাকে। ছোট বাচ্চাগুলোকে একটু সুন্দরভাবে বাঁচতে দেওয়া উচিত বলে বিশেষজ্ঞদের মত। অভিভাবক মহলের একটা অংশের অভিমত, একদিকে পড়া যেমন থাকবে, পরীক্ষা যেমন থাকবে, তেমনি গান বাজনা-খেলাধুলাও থাকবে স্কুলের পরিবেশে। পাশাপাশি খাওয়ার সময়ও থাকবে তাদের জন্য বরাদ্দ। থাকবে পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম। মাথায় রাখতে হবে-সারাদিন পড়া নিয়ে আতঙ্ক যেন না থাকে শিশু-কিশোর মনে। বয়সটা আন্দাজ করে স্কুলগুলোকে যেমন বুঝতে হবে, তেমনি অভিভাবকদেরও বিষয়টা বুঝে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

অন্যদিকে এখনকার সময় টিচারদের বেতন দেওয়া হচ্ছে বলে বেশি ক্লাস, বেশি পড়া, বেশী পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হয়ে চলেছে। এক্ষেত্রে অভিযোগ, অনেকক্ষেত্রে বাচ্চাগুলোর সুন্দর জীবনটা ভয়ঙ্কর করে তোলার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিটা স্কুলের এইগুলো জানা বা বোঝা উচিত। স্কুল কর্তৃপক্ষের জানা উচিত, বিষয়টা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা করাও উচিত। ছোট্ট বয়স থেকে প্রতিটা শিশু-কিশোর নানা শারীরিক অসুবিধার মধ্যে বড় হচ্ছে বলে অভিযোগ সামনে আসছে। স্কুলগুলো যদি একটু শিশু-কিশোর মনকে বাঁচতে দেয় তাহলে সমাজেরই উপকার হবে। অনেক সময় সিলেবাস শেষ করার নামে এই শোষণ করার প্রবণতা কমাতেই হবে। স্কুল পরিবেশ সেই মতো করে গড়ে তুলতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *