বর্ধমানের পুরনো রেল সেতু ভাঙার কাজ শুরু নিয়ে জল্পনা

budwan rail setu

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:বর্ধমানের পুরনো রেল ওভারব্রিজ ভেঙে ফেলা হবে বলে জানা গিয়েছে। রেল সূত্রে এই খবর জানা যায়। এমত অবস্থায় যাতায়াত নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রের খবর,বর্ধমান রেল স্টেশন লাগোয়া এই রেল সেতু জীর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে জানা যায়।এর আগে ওই সেতু পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এমনকী ভারি যান চলাচল নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়।রেল সূত্রের আরও খবর, খুব শীঘ্রই বর্ধমানের পুরনো রেল সেতু ভাঙার কাজ শুরু হবে। রেল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।আবার সেতু ভাঙার ব্যাপারে নোটিশ জারিও করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, ওই নোটিশের কপি পূর্ব বর্ধমানের জেলা শাসক, জেলা পুলিশ সুপার-সহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্ধমান শহরবাসীকে জানানোর জন্য ওই নোটিশের কপি পুরনো সেতুর গায়ে টাঙিয়েও দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রের আরও খবর, ওই সেতু থেকে ৪ টি উড়ালপুল অ্যাপ্রোচ রোড হিসেবে বেরিয়েছে।দুটি গিয়েছে কালনা ও কাটোয়ার দিকে। আবার বাকি দুটি রাস্তা চলে গিয়েছে কলকাতা ও দুর্গাপুরের দিকে। এই সেতু উঁচু ও দীর্ঘ হাওয়ায় নিয়মিত সেতু দিয়ে যাতায়াত করাও সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বাসিন্দারা পুরনো সেতুই যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করেন। এখন রেল সেতু ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় যাতায়াত কিভাবে হবে তা নিয়েই উদ্বিগ্ন বাসিন্দারা।এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, যাতায়াতের বিকল্প ব্যবস্থা করে তবেই সেতু ভাঙার কাজ শুরু হোক।
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ওই সেতুর দু’দিকের অ্যাপ্রোচ রোডে বেআইনি জবরদখল ও অস্থায়ী দোকানও উচ্ছেদ করা হবে বলে ঘোষণা করেছে রেল। পুজোর মুখে আশঙ্কায় ভুগছেন ছোট ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে তাঁদের আরও বক্তব্য, করোনা ও লকডাউনের আবহে ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে । পুজোর মুখে কিছুটা কেনাবেচা হওয়ার আশা ছিল। রেল সেসব ভেঙে দিলে সমস্যা আরও বাড়বে। সংসার চলাই দুস্কর। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে তবেই উচ্ছেদ করা হোক, এমনই দাবি তুলছেন ছোট ব্যবসায়ীরা।রেল সূত্রে খবর, পুরনো রেল সেতু জীর্ণ হয়ে গিয়েছে। তা ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার সম্ভাৱনা রয়েছে। তার ওপর আবার ডেডিকেটেড ফ্রেড করিডরের জন্য নতুন রেল লাইন পাতা হবে। এক্ষেত্রে প্রশস্ত জায়গা প্রয়োজন রয়েছে । তারজন্য এই রেল সেতু ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে এই কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *