দক্ষিণেশ্বরে রটন্তী কালীপুজো
রটন্তী কালীপুজো ৷ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে সেই আয়োজন। গোধূলিবেলায় সন্ধ্যারতি পর্ব ৷ এছাড়া ভক্তিগীতি ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান ৷ রাত ৯টায় শুরু রটন্তী কালীপুজো ৷ মন্ত্রোচারণ করে মাতৃবন্দনা ও আরতি পর্ব।
রটন্তী কালীপুজো ৷ দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে সেই আয়োজন। গোধূলিবেলায় সন্ধ্যারতি পর্ব ৷ এছাড়া ভক্তিগীতি ও শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান ৷ রাত ৯টায় শুরু রটন্তী কালীপুজো ৷ মন্ত্রোচারণ করে মাতৃবন্দনা ও আরতি পর্ব।
দক্ষিণেশ্বরে মা ভবতারিনীর মন্দির গড়ে ওঠার কথা-কাহিনী অনেকেরই জানা। রানি রাসমণি এই মন্দির দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে নির্মাণ করেছিলেন। কাশীধামে যাত্রা করার মনস্থির করেছিলেন রাসমণি। এরপর স্বপ্নাদেশে দেবীর আদেশ ছিল,গঙ্গাতীরেই দেবী মূর্তি প্রতিষ্ঠা করার। গঙ্গাতীরে জমি ক্রয় করে রানি রাসমণি মন্দির নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন রানি রাসমণি। স্থানীয়ভাবে কথিত রয়েছে,১৮৪৭ সালে এই মন্দিরের নির্মাণ কার্য শুরু হয়েছিল। মন্দির নির্মাণের কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছিল ১৮৫৫ সালে।
খুলে যাচ্ছে দক্ষিণেশ্বর মন্দির। ভক্ত-দর্শনার্থীরা এবার মা ভবতারিণীর দর্শন পাবেন। সর্বোচ্চ ২০জন মূল মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবেন। মন্দিরের গেটের বাইরে থার্মাল চেকিং থাকবে ।
করোনা আবহে বন্ধ থাকছে দক্ষিণেশ্বরের কল্পতরু উৎসব। তাই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের মনও ভারাক্রান্ত।