আজ আবহাওয়া
শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। ছন্দে রয়েছে শীত। আকাশ থাকবে পরিষ্কার। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। ছন্দে রয়েছে শীত। আকাশ থাকবে পরিষ্কার। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কলকাতা সহ রাজ্যের সব জেলাগুলিতেই জাঁকিয়ে শীতের আমেজ। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মরশুমের শীতলতম দিন বলা হচ্ছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর,এই মুহূর্তে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলে জানানো হয়েছে।
বৃষ্টি থামতেই জাঁকিয়ে শীতের অনুভূতি। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের আভাস। গতকাল সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ দেখা গিয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর,আগামী ৪ দিনে ৪ ডিগ্রি কমতে থাকবে রাতের তাপমাত্রা।
“মিগজাউম”-এর প্রভাবে মেঘলা আকাশ ও বৃষ্টিপাত। গতকাল রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় লাগাতার বৃষ্টি হয়েছে। আজও কলকাতা সহ দুই ২৪ পরগনা,পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুর,হাওড়া সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে।
পুরোপুরি মেঘলা আকাশ। আজ গোটা দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ দেখা যাবে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হবে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে। বৃষ্টির পূর্বাভাস যেমন রয়েছে তেমনি ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাসও দেওয়া হয়।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় মেঘলা আকাশ। হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাতের বার্তা দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় “মিগজাউম”-এর দাপট দেখা গিয়েছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,ঘন্টায় ৯০ থেকে ১১০ কিলোমিটারের গতিবেগ নিয়ে ভূখণ্ডে আছড়ে পড়েছে “মিগজাউম”। চেন্নাই সহ তামিলনাড়ুর উত্তর দিকে ধাবিত হয়ে অন্ধ্রের দক্ষিণে তাণ্ডব চালিয়েছে।
বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা। “মিগজাউম” প্রভাবে এই বৃষ্টির পূর্বাভাস। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এই মুহূর্তে চেন্নাই থেকে বেশ কিছুটা দূরে অবস্থান করছে এই ঘূর্ণিঝড়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে,আজ উত্তর তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রের দক্ষিণে এই ঝড় আছড়ে পড়ার সম্ভাবনার কথা।
বেড়ে গেল তাপমাত্রা। গতকাল ছিল মেঘে ঢাকা আকাশ। রাতের তাপমাত্রা খানিকটা বাড়বে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। দিনের তাপমাত্রা অনেকটাই কম। সপ্তাহের শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
নিম্নচাপের আবহে অসময়ে বৃষ্টির আশঙ্কা। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে ফসলের ক্ষতির পরিমাণও বাড়বে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। পাকা ধান ও শীতকালীন সবজি চাষের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা। অত্যধিক বৃষ্টি হলে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বাড়বে রাজ্যের বেশ কিছু জেলায়। কৃষি বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, ধান পাকলে তা কেটে ফেলতে হবে। যে সব জেলায় আলুচাষ বেশি হয় সেখানে চাষ শুরুর ক্ষেত্রে অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টি হলে জল জমে গেলে তা দ্রুত সরিয়ে ফেলতে হবে। এই মুহূর্তে জমিতে সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে নিষেধ করা হয়েছে।
নিম্নচাপ বাংলার দিকে ধাবিত হতে চলেছে। সপ্তাহের শেষে দুর্যোগের পূর্বাভাসের কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।