অটল রোহতাং টানেলের স্বপ্ন বাস্তব হল হিমাচলবাসীর

atal tunnel

আমার বাংলা অন লাইন নিউজ ডেস্কঃ হিমাচল প্রদেশের মানালিতে নির্মিত ৯.২ কিলোমিটার দীর্ঘ অটল টানেলটি চালু হয়েছে। ১৯৭২ সালে প্রাক্তন বিধায়ক লতা ঠাকুর ইন্দিরা গান্ধীকে ছয় মাস ধরে বরফের কারাগারে বন্দী হওয়ার সমস্যা সম্পর্কে অবহিত করেছিলেন, যখন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা একটি সুড়ঙ্গ তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন। পরে, অটল বিহারী বাজপেয়ী তাঁর বন্ধু তশি দাওয়া ওরফে অর্জুন গোপালের আমন্ত্রণে ২০০০ সালের জুনে যথাযথভাবে কাইলং থেকে রোহতাং সুড়ঙ্গ নির্মাণের ঘোষণা করেন। ২৮ জুন ২০১০, সোনিয়া গান্ধী সুড়ঙ্গের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। টানেলের জন্য ১৩৫৫ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়েছিল।

২০০৩ সালে, আচমকা অতিবৃষ্টির জেরে কাঙ্গনি ড্রেনে মেঘ ফেটে রোহতাং টানেল নির্মাণে নিযুক্ত ৬০ জন শ্রমিক মারা গিয়েছিলেন। এর পরে, ২০১৪ সালে ব্যাস নদীর বন্যার কারণে হকি ব্রিজের বিশাল অংশ উপড়ে পড়ায প্রায় 20 জন শ্রমিক মারা গিয়েছিলেন। ৯.০২ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গটি ৪৬ কিলোমিটার যাত্রাপথ কম করবে। এটি চার থেকে পাঁচ ঘন্টা কম সময় নেবে এবং সেনাবাহিনী সহজেই লেহে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এখন প্রায় ৩২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই টানেলটি তৈরি করা হয়েছে। টানেলের প্রতি ১৫০ মিটারে একটি টেলিফোন রয়েছে, ৬০ মিটারে হাইড্রেন্ট, প্রতি ৫০০ মিটারে জরুরিকালীন বের হওয়ার পথ রয়েছে। প্রতি ২.২ কিলোমিটারে যানবাহন ঘুরে যাওয়ার ব্যবস্থা, প্রতি ১ কিলোমিটার অন্তর বায়ুর গুণমান পরীক্ষা করার ব্যবস্থা রয়েছে । আবার প্রতি ২৫০ মিটারে সিসিটিভি ক্যামেরাও বসানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *