নির্বাচনী পরিক্রমা – আজকের জেলা ঝাড়গ্রাম

Jhargram-District-Map

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: বাংলার ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ৮ দফা ভোট গ্রহণ পর্ব চলবে। ২৯৪ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা নির্বাচনে এবার ভোট গ্রহণ কেন্দ্র সংখ্যা ১ লক্ষ ১ হাজার ৯১৬ টি। একুশের এই নির্বাচনে জেলাওয়াড়ি একঝলক ভোট চিত্র তুলে ধরছি আমরা।

এবারের জেলা ঝাড়গ্রাম: এই জেলায় বিধানসভার মোট আসন সংখ্যা ৪টি। কেন্দ্র গুলি হল- ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, গোপীবল্লভপুর, নয়াগ্রাম।

নির্বাচনী নির্ঘণ্ট: প্রথম দফা (২৭ মার্চ)। ওই দিনে ভোট গ্রহণ হবে যে সব কেন্দ্রে- ঝাড়গ্রাম, বিনপুর, গোপীবল্লভপুর ও নয়াগ্রাম।

গত বিধানসভা নির্বাচনে যে চিত্র ছিল তা একনজর। বিধানসভা কেন্দ্র ও বিজয়ীরা হলেন: ঝাড়গ্রাম – সুকুমার হাঁসদা (তৃণমূল), বিনপুর – খগেন্দ্রনাথ হেমব্রত (তৃণমূল), গোপীবল্লভপুর – চূড়ামণি মাহাত(তৃণমূল), নয়াগ্রাম – দুলাল মুর্মু (তৃণমূল)। উল্লেখ করা যায়, সুকুমার হাঁসদা গত ২৯ অক্টোবর প্রয়াত হন।

জেলা-পরিক্রমা করে স্থানীয় মানুষদের যে দাবি উঠে এসেছে তা হল- শহরে উড়ালপুলের দু’পাশে অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, পর্যটন ও ক্ষুদ্র-কুটির শিল্পে আরও উদ্যোগ নেওয়া প্রভৃতি রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রান্তে পানীয় জলের সমস্যা মেটানোর বিষয়টি উঠে এসেছে।

উল্লেখযোগ্য দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে- বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ, স্কুল ও কলেজের পরিকাঠামো উন্নয়নে অর্থ ব্যয়। এছাড়া অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের সংস্কার ও ধান সংরক্ষণাগার, চিল্কিগড় কনকদুর্গা মন্দিরের জন্য বরাদ্দ, গুপ্তমণি মন্দিরের জন্য বরাদ্দ এবং রামেশ্বর মন্দিরের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছে। পাশাপাশি পর্যটনের উন্নয়নে হোম স্টে, সরকারি গেস্ট হাউস সহ বিভিন্ন উন্নয়ন রয়েছে। বাঁধ তৈরিতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

জেলার বিভিন্ন প্রান্তে খোঁজ-খবর নিয়ে আমাদের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন মানুষের বিভিন্ন অভিযোগ সম্পর্কে । এই জেলায় স্থানীয় কিছু অংশের মানুষের বক্তব্য, এই জেলায় নতুন করে কোনও শিল্প তৈরি হয়নি। পঞ্চায়েত ব্যবস্থা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি স্তরে দুর্নীতি হয়েছে বলেও অভিযোগ। ১০০ দিনের কাজ সহ কয়েকটি ক্ষেত্রে বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি গৃহ নির্মাণে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এছাড়া স্বজনপোষণ-এর অভিযোগ স্থানীয় মহলে। মাওবাদী দমন করার ক্ষেত্রেও বিস্তর অভিযোগ সামনে এসেছে।

খবরটি পড়ে ভালো লাগলে লাইক-কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে দাঁড়াবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *