লাহাবাড়িতে দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে হরগৌরী রূপে

laha family kolkata

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: প্রাচীন রীতি মেনেই এখনও লাহাবাড়িতে দেবী প্রতিমাকে মণ্ডপে নিয়ে যাওয়া হয় ৷ আজও একইরকম ঐতিহ্য মেনে বনেদি বাড়ির এই পুজো চলছে। অনেক কথা-কাহিনী ও অনেক অজানা ইতিহাস রয়েছে এই পুজোকে ঘিরে। কলকাতা শহরে অনেক পুজোর মাঝে লাহাবাড়ির পুজোর বিশেষ তাৎপর্যও রয়েছে। একদিকে যেমন রয়েছে ইতিহাস, তেমনি রয়েছে ঐতিহ্যও।

আয়োজক সূত্রের খবর, এ বছর করোনা আবহে পুজোর তৎপরতাও শুরু হয়ে গিয়েছে। শিল্পী প্রতিমা গড়ছেন। মাটির ওপর রং লাগানো হলে লাবণ্যময়ী রূপে দেখা যায় দেবী প্রতিমাকে। স্থানীয় সূত্রের খবর, প্রতিবছর উত্তর কলকাতার ঠনঠনিয়ায় লাহা পরিবারের ঠাকুরদালানে এই পুজো হয়ে আসছে। এই পুজোয় দেবী দুর্গা পূজিত হন জগজ্জননী রূপে। দুর্গাপুজোর কাঠামো পুজো হয় জন্মাষ্টমীর পর। ওই কাঠামোর মধ্যে একটি ছোট্ট মাটির গণেশকে পুজো করা হয়ে থাকে।

এক্ষেত্রে জানা গিয়েছে, বড় গণেশ মূর্তি তৈরি হয়ে গেলে ওই ছোট গণেশটা বড় গণেশের পেটের ভিতর ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, এটাই রেওয়াজও। আরও জানা গিয়েছে, প্রথম থেকে একচালার প্রতিমাতেই পুজো হয়ে আসছে এই পরিবারে। এই বাড়িতে দুর্গাপ্রতিমাকে প্রতীকী হিসেবে পুজো করা হয়ে থাকে। দুর্গাপুজো হওয়ার জন্য এই বাড়িতে আর কোনও মূর্তি পুজো হয় না। বাড়ির কুলদেবী অষ্টধাতুর সিংহবাহিনীর পুজো হয় ওই চারদিন ধরে। এক্ষেত্রে জানা গিয়েছে, বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী এই পরিবার মহিষাসুর বধকে হিংস্র মনে করেন। ওই পরিবারে মা দুর্গা দশভুজারূপে বিরাজমান হন না , দেবীর আবির্ভাব ঘটে হরগৌরী রূপে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *