কোভিড পজিটিভ রোগীর চিকিৎসা এবার থেকে বারাসাতের মেগাসিটি নার্সিংহোমেও

Megacity Nursing Home

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কোভিড পজিটিভ রোগীদের চিকিৎসায় সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে বারাসাতের মেগাসিটি নার্সিংহোম। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশিকা উত্তর ২৪ পরগনার জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের তরফ থেকে বারাসাতের মেগাসিটি নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষের হাতে এসে পৌঁছেছে। তাই সেজে উঠছে নার্সিংহোম। সূত্রের খবর, কার্যত কোভিড পসিটিভ রোগীদের বারাসাতের যশোর রোড লাগোয়া এই নার্সিংহোমে চিকিৎসা শুরু হওয়া সময়ের অপেক্ষামাত্র। যদিও রয়েছে আলোচনার অবকাশ।

উল্লেখ্য, মেগাসিটি নার্সিংহোমে কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য ৭টি আইসিসিইউ বেড, ৫টি এইচডিইউ বেড ও ৪টি ভেন্টিলেটর সহ মোট ৫০টি শয্যার ব্যবস্থা থাকছে এই মেগাসিটি নার্সিংহোমে। সূত্রের আরও খবর, ঘনজনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত মেগাসিটি নার্সিংহোমটি। ঢিল ছোড়া দূরত্বে চাঁপাডালি মোড়, মাছের আড়ৎ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সাধারণ স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বিক্ষোভ কোন পর্যায়ে যেতে পারে তা নিশ্চিত নয়। পাশাপাশি তার চেয়েও বেশি চিন্তা, নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ কীভাবে সামগ্রিক চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করবে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার মেগাসিটি নার্সিংহোমটি যথারীতি নিয়ম মেনে স্যানিটাইজেশনের কাজ শেষ হয়েছে।

মেগাসিটি নার্সিংহোম সূত্রে খবর, স্বাস্থ্য দপ্তরের নির্দেশিকার পরে তাঁদের ইচ্ছে বা অনিচ্ছার বিষয়টি গৌণ। তাঁরা চিকিৎসা পরিষেবা দিতে উদ্যোগী এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক যেহেতু তাঁদের স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেন, তাই স্বাস্থ্য ভবনের নির্দেশ নার্সিংহোম মেনে চলবে। নার্সিংহোম সূত্রের আরও জানা যায়, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের সঙ্গে একপ্রস্ত আলোচনা হলেও নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ চিন্তিত তাঁদের রোগীদের জন্য। এবার রোগীদের জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে সে বিষয়েও চিন্তিত কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, ডায়ালিসিস সহ বিভিন্ন জীবনদায়ী চিকিৎসা এই হাসপাতালে দেওয়া হয়। ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা মাঝপথে বন্ধ করাও অসম্ভব।

অন্যদিকে, স্বাস্থ্য নির্দেশিকা মেনে কোভিড চিকিৎসার পাশাপাশি অন্য রোগের চিকিৎসা একই প্রেমিসেসে করা সম্ভব নয় বলেও একাংশের ধারণা। সেই কারণে বিকল্প পথের সন্ধান খুঁজছে কর্তৃপক্ষ। মেগাসিটির নার্সিংহোমের আধিকারিক দিব্যেন্দু বসু বলেন, ‘তাঁদের অতিরিক্ত কোনও স্থান নেই যেখানে অন্য রোগীদের চিকিৎসা হতে পারে।বিকল্প পথ খুঁজতে রাজ্য সরকার সহযোগিতার হাত বাড়াবে, এমনটাই তাঁরা ভাবছেন’।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *