বাজরার পুষ্টিগুণ নিয়ে সার্বিক প্রয়াস

bajra and frum

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ২০২২-২০২৩ সালকে “আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ” হিসেবে ঘোষণা করেন। কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করার সময় তিনি এই পরিকল্পনাটির কথা জানিয়েছেন। ২০২৩ সালকে বাজরার আন্তর্জাতিক বছর হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে তাঁর বক্তব্য,ফসল তোলার পর মূল্য সংযোজন, আভ্যন্তরীণ ব্যবহার বাড়ানো এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিলেট জাতীয় পণ্যের ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য সহায়তা প্রদান করা হবে। এ বিষয়ে আরও জানা যায়,২০২১সালে জাতিসংঘের সাধারণপরিষদ ২০২৩ সালকে “আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ” হিসাবে ঘোষণার জন্য একটি রেজোলিউশন নেওয়া হয়।

এক্ষেত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে,মিলেট একটি প্রাচীন শস্য। যা ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে চাষ হচ্ছে। আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় খাদ্যও বাজরা। এছাড়া বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তেও এর চাহিদা বেড়েছে। পুষ্টিগুণের জন্যও এটি গ্রহণযোগ্য। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভারতে ৭প্রকারের বাজরা হয়ে থাকে। যেমন- মুক্তা বাজরা, আঙুল বাজরা , অমরনাথ,বাকহুইট বাজরা,বার্নইয়ার্ড বাজরা, ফক্সটেল বাজরা ও কোডো বাজরা প্রভৃতি।

কয়েকটি রোগের ক্ষেত্রেও এটি উপকারী। শরীরের ওজন কমাতে পারে। শরীরকে ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ ও অনেক খনিজ সরবরাহ করে থাকে । এটিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার ও প্রোটিন রয়েছে। স্থূলতা প্রতিরোধ করতে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। বাজরা আয়রন বাড়াতে সহায়তা করে। শরীরে লোহার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে মিলেট । আয়রনের ঘাটতি এবং অ্যানিমিয়ার মতো সমস্যা প্রতিরোধে এটি খুবই উপকারী। ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, পটাসিয়াম, তামা ও অন্যান্য খনিজ থাকার জন্য বাজরা হাড়ের স্বাস্থ্যকে মজবুত করতে পারে। বাজরায় কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার ও উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন থাকে বলেই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে। বিশেষজ্ঞরা গবেষণায় দেখেছেন, বাজরা হৃদরোগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *