রোহিতকে বাঁচাতে শেষ চেষ্টা ফুলকির!

বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় সিরিয়াল “ফুলকি”তে রোহিত এবং ফুলকির প্রেমের গল্পে নাটকীয় মোড় এসেছে। ফুলকির বাবার বাড়ি থেকে পালিয়ে এসে রোহিত তাকে ফিরিয়ে আনতে চায়। কিন্তু ফুলকি তাকে ফিরে যেতে চায় না। তাই রোহিত তাকে জোর করে নিয়ে যায় একটা ভাঙা বাড়িতে। সেখানে সে ফুলকিকে বন্দুক ঠেকিয়ে রাখে। রোহিতের এই আচরণে ফুলকি খুবই ভয় পেয়ে যায়।…

Read More

কার ওপর এত চটে গেল জগদ্ধাত্রী?

জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলে জগদ্ধাত্রী।জগদ্ধাত্রী এই কেসে তদন্ত করতে গিয়ে আরো এক অপরাধীর নাম খুঁজে পেল। দেবুদা তার বছরের টাকা বাড়ানোর জন্য কৌশিকীর ফাইল চুরি করছিল। রাজনাথ তার প্রথম সন্তান স্বয়ং বুকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। আর ঠিক এই কথাটাই স্বয়ম্ভুর মানে লাগছে সে চায় তার বাবাকে পেতে। হঠাৎ করেই সাধুদা এবং…

Read More

রোহিতকে কি এই বিপদের মুখ থেকে বাঁচাতে পারবে ফুলকি?

বাংলা টেলিভিশনে নতুন সিরিয়ালের জয়জয়কার।ফুলকি রোহিতের ওপর রাগ করে বাড়ি থেকে চলে গিয়েছিল বাপের বাড়িতে। ফুলকি বাড়ি থেকে চলে গেছে দেখেই রোহিত তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য আবার নিজে গেল। rohit নিজের কাজের জন্য এদিক-ওদিক যাবে কিন্তু ঈশিতা রোহিতকে জানায় সে এত কিছু যে করছে শালিনী জানে কিনা। ফুলকি তার জীবনের আসল সত্যি বলেনি সেই জন্যই…

Read More

শেষ পর্যন্ত রাজনাথ মুখার্জিকে বাঁচাতে চাইছে কৌশিকী! কিন্তু কেন?

জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় ধারাবাহিক হলে জগদ্ধাত্রী।জগদ্ধাত্রী এই কেসে তদন্ত করতে গিয়ে আরো এক অপরাধীর নাম খুঁজে পেল। দেবুদা তার বছরের টাকা বাড়ানোর জন্য কৌশিকীর ফাইল চুরি করছিল। আর সেটা নিয়ে বেরোতে জগদ্ধাত্রী সঙ্গে ধাক্কা খাওয়া জগদ্ধাত্রী সেটা পাল্টে অন্য ফাইল রেখে দিল। রাজনাথ তার প্রথম সন্তান স্বয়ং বুকে কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না। আর…

Read More

সিরিজের পর প্রথমবার ছবিতে অভিনয় করবেন দেবাশিস ও প্রিয়াংকা!

পরিচালক শঙ্খ ভট্টাচার্যের প্রথম ছবিতে শাহিদের গল্প ১৯৯২ সালের বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর কলকাতায় দাঙ্গা হয়। এই দাঙ্গার সময় এক মুসলিম মহিলা রাস্তায় শাহিদ নামে এক হিন্দু যুবককে কুড়িয়ে পান। বর্তমান সময়ে সাংবাদিক ভাস্বতী মজুমদারের লেখা বই থেকে ফিরে আসে শাহিদের আখ্যান। এই দুটো ঘটনার মধ্যে কি কোনও যোগসূত্র রয়েছে? অতীত ঘেঁটে কি বর্তমান সময়ে…

Read More
trisakti and ramkrishna

ত্রিশক্তির মহা-জীবন

ত্রিশক্তির তিন অবয়ব। শ্রীরামকৃষ্ণ-শ্রীমা-স্বামীজি। জীব ও জগৎ কল্যাণে তাঁদের ভূমিকা অস্বীকার করার নয়। সারদা মা যিনি ঠাকুরের শক্তি। শ্রীরামকৃষ্ণের জীবন-দর্শন নিজের জীবনের সাথে একাত্মভাবে জড়িয়ে নিয়েছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ। স্বামীজি বলেছিলেন,”জ্ঞান ভক্তি যোগ এবং কর্ম-মুক্তির এই চারটি পথ। প্রত্যেকের কর্তব্য তার উপযুক্ত পথটি অনুসরণ করে চলা। তবে এই যুগে কর্মযোগের উপরেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত।” আবার মা সারদা বলে গিয়েছেন,”যেমন ফুল নাড়তে নাড়তে ঘ্রাণ বের হয়। চন্দন ঘষতে ঘষতে গন্ধ বের হয়,তেমনি ভগবৎতত্ত্ব আলোচনা করতে করতে তত্ত্বজ্ঞানের উদয় হয়…। ” যুগাবতার শ্রী রামকৃষ্ণ বলেছিলেন,”আপনি রাতে অনেক তারা দেখতে পান কিন্তু সূর্য ওঠার সময় নয়। সুতরাং আপনি কি

Read More