ঘূর্ণিঝড় “আম্ফান” তাণ্ডবের মধ্যেও বাঁচার ঠিকানা কাঠুরেদের

Tree Cutting

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : কর্মহীন পর্বে গাছ কাটার বরাত পেয়ে খুশি কাঠুরেরা। ঘূর্ণিঝড় “আম্ফান”-এর তাণ্ডবের মধ্যেও বাঁচার ঠিকানা কাঠুরেদের। সূত্রের খবর, লকডাউনে কাজ প্রায় ছিল না বললেই চলে। কর্মহীন মানুষদের ঘূর্ণিঝড়ে পড়ে যাওয়া গাছই স্বস্তি এনে দিল। বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেও অর্থের মুখ দেখায় খুশি এই কাঠুরেরা। উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে হাওড়া গ্রামীণ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।

ওই এলাকায় কয়েক হাজার গাছ উপড়ে গিয়েছে বলেও খবর। ডাক পড়ছে কাঠুরেদের। এই সময় শুধু কাঠুরে নয়, উপার্জনের আশায় অনেকেই হাত লাগিয়েছেন গাছ কাটার কাজে। হঠাৎ কাজ পাওয়ায় খুশি কাঠুরেরা। এক্ষেত্রে তাঁরা জানিয়েছেন, গাছের মাপ অনুযায়ী মজুরি নির্ধারিত হয়। অনেকে শুধু কাটার চুক্তি করে। আবার অনেকে কাটার পর গাছ কিনে নেওয়ার চুক্তিও করে।

উল্লেখ্য, একটা বড় গাছ ৩-৪ জন মিলে কাটলে জনপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকা রোজগার হচ্ছে। এক্ষেত্রে দিনে একটা গাছই কাটা সম্ভব হচ্ছে। গাছ কাটার পর তা কিনে নিলে আয়ের অংশটা একটু বেশি হয়। এই সময় চাহিদা বেশি থাকায় কাজ বেশি সময় ধরে করলে পারিশ্রমিক বাড়ছে। ১ হাজার থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত আয় করছেন অনেকেই। কাঠুরিয়াদের একটা বড় অংশ জানিয়েছেন, ঝড়ে যেভাবে গাছ পড়েছে, তাতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হবে এটা ঠিকই, তবে এইসব গাছ আমাদের মতো অনেক পরিবারের মুখে-হাসিও ফুটিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *