এবার মধু চাষে বিঘ্ন, সঙ্কটে মৌ-পালকরা

Bee Farming

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সঙ্কটে মৌমাছি পালকরা। মধুর দাম বৃদ্ধির আশঙ্কাও রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, করোনার কারণে দীর্ঘ লকডাউন ও আম্ফান-এর জেরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মধুর উৎপাদন অনেকটাই কমে গিয়েছে। মৌমাছি ভর্তি বাক্স বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতে না-পারায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে মৌ পালকরা। আর্থিক সঙ্কটের মধ্যেও মৌমাছিদের বাঁচিয়ে রাখা মুশকিল। উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাস থেকে কেজি কেজি চিনির জল করে খাওয়াতে হচ্ছে মৌমাছিদের।

জানা গিয়েছে, অনেক দুঃস্থ মৌ পালক চিনির জোগান দিতে না-পারায় বাক্স থেকে মৌমাছি উড়ে গিয়েছে। এমত পরিস্থিতিতে চলতি বছরে মধুর দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে একাধিক মৌ পালক সংগঠন জেলা উদ্যান-পালন দপ্তরের কাছে সরকারি সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, প্রত্যেক বছর অগ্রহায়ণ মাস থেকে মধুর উৎপাদন শুরু হয়। চৈত্র ও বৈশাখ মাসে মধু সব থেকে বেশি পাওয়া যায়। মার্চ মাসের শেষ থেকে লকডাউন শুরু হওয়ায় মৌ পালকরা চরম সঙ্কটে পড়েন। এর আগে মৌ পালকরা কোন এলাকায় কী ফসল হচ্ছে জেনে মৌমাছির বাক্স নিয়ে ওইসব এলাকায় পৌঁছে যেতেন।

ওই বাক্স কয়েক মাস বসিয়ে রাখার পর মৌমাছি মধু সংগ্রহ করত। ওই মধু ব্যবসায়ীদের হাত ঘুরে বিভিন্ন সংস্থার কাছে পৌঁছে যেত। আবার কোনও সংস্থা নিজস্ব ব্র্যান্ডের নাম দিয়ে ওই মধু দেশ ও বিদেশের বাজারে বিক্রি করত। করোনার আবহে মৌ পালকরা এবার তা করতে পারেননি। এছাড়া সুন্দরবনের জঙ্গল থেকেও মধু সংগ্রহ করা যেত। এবার তাও করা সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *