অতীতের ফেলে আসা পথ ধরেই “আম্ফান”-এর ধ্বংসলীলা
২৮৩ বছরের পুরনো পথেই চলল তাণ্ডবলীলা। “আম্ফান” ২৮৩ বছরের এক পুরনো স্মৃতি জাগিয়ে দিল। জানা যায়, “মৌসম” পত্রিকায় আবহবিজ্ঞানী এ কে সেনশর্মা ১৭৩৭ সালের ঝড় নিয়ে একটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন।
২৮৩ বছরের পুরনো পথেই চলল তাণ্ডবলীলা। “আম্ফান” ২৮৩ বছরের এক পুরনো স্মৃতি জাগিয়ে দিল। জানা যায়, “মৌসম” পত্রিকায় আবহবিজ্ঞানী এ কে সেনশর্মা ১৭৩৭ সালের ঝড় নিয়ে একটি গবেষণাপত্র লিখেছিলেন।
ঘূর্ণিঝড় আম্ফান দাপটে লণ্ডভণ্ড রাজ্য।সরকারিভাবে এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, এই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের।মৃতদের পরিবারকে ২লক্ষ টাকা করে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
লকডাউন পর্যায়ে গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনা শিশুমনে ব্যাপক প্রভাব ফেলার আশঙ্কা।
আয়লার স্মৃতি এখনও ভাসছে সুন্দরবন এলাকার মানুষদের। স্থানীয় সূত্রের খবর, ভাঙা বাঁধের সেই ছবি এখনও টাটকা ওখানকার মানুষের। উল্লেখ্য, গত ২০০৯ সালের ২৫ মে “আয়লা”-র তাণ্ডব চলেছিল।
“আম্ফান” ঘূর্ণিঝড়ের দাপট। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট। সূত্রের খবর, দুপুর পর্যন্ত ঝড়ের তীব্রতা কম থাকায় কিছুটা সামলানো গিয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকার আগামী সোমবার থেকে দেশের মধ্যে যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা চালু করতে চলেছে।
এক দশক কাটিয়ে আবারও বড় বিপর্যয় শহরে। সূত্রের খবর, ঘন্টায় প্রায় ৭০ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় “আয়লা” ২০০৯ সালে বিধ্বস্ত করেছিল কলকাতাকে।
নদী-সমুদ্রে মোড়া দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘোড়ামারা দ্বীপ। এখানকার মানুষের জীবনচরিত বড়ই ভিন্ন। খুবই কষ্টকর সেই জীবন। “আম্ফান”-এর ভ্রূকুটি এখন শিহরে।
“আম্ফান”মোকাবিলায় রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। বাংলায় প্রবল দুর্যোগের আবহে গ্রামীণ এলাকার মানুষকে কাঁচাবাড়িতে থাকতে নিষেধ করা হয়েছে। নিকটবর্তী স্কুল বা পাকাবাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে।
১৯৯৯ সালে সুপার সাইক্লোন ঝড় আছড়ে পড়ে। যার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০কিমি। যা স্থায়ী হয়েছিল ১মিনিট।আবার ২০০৯ সালে সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলে ঘন্টায় ১২০কিমি বেগে ধেয়ে এসেছিল আয়লা ঝড়।