lord cornwallis Education Others 

কোন লক্ষ্যে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয় ?

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কবে চালু হয়েছিল তা আমরা ইতিহাস পড়ে জানতে পারি। এই বন্দোবস্ত কী জানা আছে ? প্রথমেই জানিয়ে রাখি এটি এক ধরণের ভূমি রাজস্ব বা কর ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থা চালু করেছিলেন লর্ড কর্ণওয়ালিশ। ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ থেকে এই ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। তৎকালীন বাংলা,বিহার ও ওড়িশার বুকে এই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু হয়। কেন এই ব্যবস্থা চালু হয় তার কারণ হিসেবে বলা হয়, এই ব্যবস্থা প্রবর্তন করলে কোম্পানি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দিষ্ট হারে রাজস্ব আদায় করতে পারবে।

Read More
indian astronomical ephemeris Education Others 

ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্জিকা কবে চালু হয় জানেন?

ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্জিকা কবে চালু হয়েছিল জানা আছে? কেন চালু হয়েছিল তা কী জানেন ? জেনে নিন সেই ঘটনা। ১৯৫৭ সালের ২২ মার্চ । ভারতের রাষ্ট্রীয় পঞ্জিকা চালু হয়েছিল। ভারত সরকারের “ক্যালেন্ডার রিফর্ম কমিটি এ বিষয়ে সুপারিশ করেছিল। এরপর সেটি কার্যকর হয়। পরবর্তী সময় থেকে ভারত সরকার ১৯৫৭ সাল থেকে ১৪ টি ভাষায় এটি প্রকাশ করে। এটি আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সম্মত সময়-সারণি -“রাষ্ট্রীয় পঞ্চাঙ্গ”।

Read More
ramkrishna-swamiji Education Entertainment Others 

শ্রীরামকৃষ্ণের প্রজ্ঞাদৃষ্টি : স্বামীজির কর্ম-মুক্তির পথ

অধ্যাত্ম ও সেবার ধারক ও বাহক শ্রীরামকৃষ্ণ। জগৎকল্যাণে তাঁর অভিনব ভূমিকা। ভাবপ্রচারেও শ্রীরামকৃষ্ণ। আধ্যাত্মিক ভাবের যোগ্যতম ব্যক্তিত্ব তিনি । অন্যদিকে স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্বের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছেন। মানুষের আধ্যাত্মিক নবজাগরণে তাঁর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা। সেই অধ্যাত্ম জগৎকে আদর্শরূপে গ্রহণ করার বার্তা দিয়েছেন তিনি। শ্রীরামকৃষ্ণের প্রজ্ঞাদৃষ্টি ছিল। জীবন উদ্ভাসিত হয়েছিল মুক্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির চিন্তায়। যতক্ষণ না জগতের প্রতিটি মানুষ মুক্ত হন, ততক্ষণ তিনি নিজের মুক্তিও কামনা করতে পারেন না।

Read More
charles wilkings Education Others 

চার্লস উইলকিন্স বিখ্যাত কেন জানেন?

চার্লস উইলকিন্স একজন প্রাচ্যবাদী পণ্ডিত এবং বাংলা হরফ বিশেষজ্ঞ ছিলেন । তিনি বাংলা মুদ্রাক্ষর খোদাই ও অক্ষর ঢালাইয়ের কাজ শুরু করেছিলেন। তিনি এই কাজ শুরু করেছিলেন পঞ্চানন কর্মকারের সহযোগিতায়। তাঁর তৈরি বাংলা মুদ্রাক্ষরের মাধ্যমে হ্যালহেড বাংলা ব্যাকরণ বইটিতে বাংলা মুদ্রণের ব্যবস্থা করেছিলেন। বাংলা ছাপার হরফের বিবর্তন ঘটেছিল।

Read More
jasim uddin and poet Education Lifestyle Others 

দুঃখ-দারিদ্রতার কথা-কাহিনীর রূপকার

“নকশী কাঁথার মাঠ” এক মর্মস্পর্শী কাব্য। ১৯২৮ সালে এটি লিখেছিলেন এক পল্লী কবি। পর পর এক এক করে অনেক লেখাই প্রকাশ পেয়েছে। সেই কলম ছিল অনেক ধারালো। “পদ্মা নদীর দেশে”,”সোজন বাদিয়ার ঘাট” সহ একাধিক লেখা তাঁর কলমে উঠে এসেছে। বাংলার হিন্দু-মুসলমান সমাজের মানুষের জীবন-যাপন তুলে ধরেছেন। সমাজ ও বাস্তবতার কবি মানুষের জাগতিক দুঃখ-দারিদ্রতার কথা-কাহিনী রূপায়ণ করেছেন।

Read More
oppenheimer Breaking News Education Entertainment Others 

“ওপেনহাইমার” অস্কার সেরা

অস্কার সেরা “ওপেনহাইমার” । ৯৬তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে ৭টি বিভাগে সেরার সম্মান পেল “ওপেনহাইমার” । সেরা অভিনেতা হিসেবে কিলিয়ান মার্ফির প্রথম মনোনয়ন। পাশাপাশি রবার্ট ডাউনি জুনিয়রও প্রথমবার অস্কার পেলেন। তিনি পেলেন সেরা সহ অভিনেতার সম্মান। এডিটিং বিভাগেও সেরা “ওপেনহাইমার”।

Read More
ramkrishna Education Others 

শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মতিথি : সত্যের পথই শিক্ষা

আজ শ্রীরামকৃষ্ণের ১৮৯ তম জন্মতিথি। আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। সাধন পথে থেকে সারাজীবন তিনি সাধারণ জীবন-যাপন করে মানুষের সেবা করে
গিয়েছেন । তাঁর আদর্শ ও শিক্ষাই ছিল সত্যের পথ। মনের ভিতর ও বাইরে তিনি এক ও আন্তরিক ছিলেন। সত্যের সাধনে তাঁর জীবন চলা মানুষকে অন্য দিশা দেখিয়েছে। উনিশ শতকের নবজাগরণে যুক্ত বাংলার ব্যক্তিত্বরাও তাঁর কাছে উপদেশ গ্রহণে আসতেন। শ্রীরামকৃষ্ণের বলা সব কথাই আজ বাণী হয়ে মানুষের মুখে মুখে ঘোরে।

Read More
shiv-sakti Education Others 

ব্রতের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মহাশিবরাত্রি কেন জানেন ?

একদিকে শিব স্মশান দেবতা। অন্যদিকে তিনি কাপালিকদের সাধক। আবার তিনি কৈলাসে ঘোর সংসারী। অনেকে বলে থাকেন জয় শিবশম্ভু। দেবাদিদেব মহাদেব, হরহর মহাদেব, ভোলানাথ, শিবশঙ্কর কতই তাঁর নাম। আজ শিবরাত্রি। সাধারণভাবে শিবরাত্রির ব্রত পালন করেন মহিলারা। তবে শিবরাত্রি শুধুমাত্র মেয়েলি ব্রত নয়। এ বিষয়ে প্রচলিত একটি কথা-কাহিনী রয়েছে। সেই কাহিনীটি হল-কৈলাসে একদিন মহাদেবকে বলেছিলেন,”এমন একটি ব্রতের কথা বলে দিন,যেটি সকলে পালন করে পাপমুক্ত হতে পারেন।” একথা শুনে দেবাদিদেব প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন,” ফাল্গুন মাসের চতুর্দশী তিথিতে ভয়াবহ অন্ধকার থাকে। সেই রাত্রি বা তিথিতে যে উপবাস করে আমি তার ওপর সন্তুষ্ট হই। এই রাত্রিকালীন সময়ের চার প্রহরে চারটি গঙ্গামাটির শিব গড়ে পুজো করলে আমি প্রসন্ন হই। উপকরণ বলতে বেলপাতা ও গঙ্গাজল। মন্ত্র তন্ত্র কিছু নেই। এটা করলেই খুব সহজে সবাই পাপমুক্ত হবে।”

Read More