বিনা ভিসাতেই ঘুরুন থাইল্যান্ড, জেনে নিন কোন শহরে কী কী ফেস্টিভ্যাল পাবেন!

থাইল্যান্ড চমৎকার খাবার, মনোরম পরিবেশ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ মানুষের দেশ থাইল্যান্ড। এই মুহূর্তে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে কারণ ভারতীয়দের জন্য বিনা ভিসা প্রবেশের সুযোগ চালু হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারতীয়রা থাইল্যান্ডে ৩০ দিন পর্যন্ত থাকতে পারবেন বিনা ভিসায়। তাই থাইল্যান্ড ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন? চলুন জেনে নিন কোন শহরে কোন সময়…

Read More

সিকিমে বিদেশি পর্যটকের ঝড়, পাঁচ বছরে প্রায় ৭ লক্ষ!

গ্যাংটক, ১৩ মে: পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে বিদেশি পর্যটকদের আগমনে রেকর্ড ভেঙেছে। করোনা মহামারী ও তিস্তায় হড়পাবানের বিপর্যয়ের পরও গত পাঁচ বছরে প্রায় ৭ লক্ষ বিদেশি পর্যটক সিকিম ভ্রমণ করেছেন। পর্যটন দপ্তরের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজ্যটিতে মোট ৬ লাখ ৬১ হাজার ২৪৮ জন বিদেশি পর্যটক এসেছেন। শুধুমাত্র ২০১৯ সালেই এই সংখ্যা…

Read More
japan

হোক্কাইডো,হনসু,সিকোকু,কিউসু সহ প্রায় ৩ হাজারেরও বেশি ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে জাপান দেশটি গঠিত হয়েছে। এই সমগ্র দ্বীপপুঞ্জটির আয়তন প্রায় ৩.৭ লক্ষ বর্গকিমি। দেশটি মূলত পর্বতময়। জীবন্ত আগ্নেয়গিরিও রয়েছে অনেক। ভূমিকম্প প্রবণ দেশও বটে।

Read More
sundarban and forest

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য : একঝলকে সুন্দরবন

সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। হিসেব অনুযায়ী বলা যায়,এই বনভূমির প্রায় ৬২ শতাংশ বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থিত। আর বাকি প্রায় ৩৮ শতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে অবস্থান করছে। ভৌগলিক মানচিত্র অনুযায়ী সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও বরগুনা জেলায় এই বনাঞ্চলের অবস্থান নির্ধারিত। আর পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনায় মূলত সুন্দরবন বনভূমির অবস্থান। সুন্দরবনের গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন,বাংলাদেশের অভ্যন্তরের তুলনায় সুন্দরবনের মাটি অনেকটাই আলাদা।

Read More
dhyanakuria gayen bari

বিলিতি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রাজবাড়ি

প্রাচীন আমলে সুবিশাল একটি রাজবাড়ি নির্মাণ করেছিলেন জমিদার মহেন্দ্রনাথ গায়েন। সেকালে পাটের ব্যবসায় সুনাম অর্জন করেছিলেন তিনি। সে আমলে ইংরেজ বণিকদের সঙ্গেই এই ব্যবসা চলত। সেই সময় এই প্রান্তিক ও গ্রামীণ অঞ্চলগুলিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাহেবদের নানা ব্যবসার প্রসার ছিল। স্থানীয় অনেকে বলে থাকেন,সেকালে বিলিতি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বজায় রেখে ইউরোপীয় দুর্গের আদলে এই রাজবাড়িটি তৈরি করেছিলেন জমিদার মহেন্দ্রনাথ। এককথায় এটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য।

Read More
jhorkhali sundarban

ঝড়খালির জল-জঙ্গলে

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অন্তর্গত ম্যানগ্রোভ জঙ্গল। যাকে স্থানীয় ভাষায় বাদাবন বলা হয়। সুন্দরী,গরান,গেঁওয়া সহ নানা জাতের গাছের বর্ণময় শোভা। একদিকে প্রবাহিত নদী ও অন্যদিকে ম্যানগ্রোভ বন।
ভ্রমণের নেশা থাকলে বেরিয়ে পড়তে পারেন। এখানকার প্রধান আকর্ষণ বাঘ সংরক্ষণ কেন্দ্র। বাঘেদের বিচরণ ক্ষেত্রটিকে দুচোখ ভরে দেখতে পাবেন। বাঘ ছাড়াও কুমির ও চিতল হরিণও দেখতে পাবেন। রাজ্য পর্যটন দফতরের রিসর্ট,
একাধিক হোটেল ও কটেজ দেখতে পাবেন। সাধ্যের মধ্যেই থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। ভোরের আলো ও রাতের অন্ধকার উপভোগ করতে পারবেন। একদম ফ্রেশ বাতাস আপনাকে চনমনে করে তুলবে। দূরের মাঠে কৃষকরা জমিতে চাষ করছে দেখতে পাবেন। গ্রামের অপরূপ রূপ উপভোগ করতে পারবেন। ক্যানিং ব্রিজ,মাতলা নদী,বিদ্যাধরী নদীর অনন্য শোভা দেখতে দেখতে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা তৈরি হবে।

Read More
ganggasagar

দেশের অন্যতম সেরা গঙ্গাসাগর মেলা

গঙ্গাসাগরে মকর সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে পুণ্যস্নানে জনপ্লাবন। গঙ্গাসাগর মেলায় এ বছর পূর্ণ্যাথী সংখ্যা ১কোটি অতিক্রম করেছে বলে খবর। যা সর্বকালীন রেকর্ড বলা হচ্ছে। গঙ্গাসাগর মেলার প্রাচীন ঐতিহ্য রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণে সাগরদ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এটি। কপিলমুনির আশ্রমে প্রতি বছর মকর সংক্রান্তিতে এই মেলা বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে আসছে। গঙ্গা নদী বা হুগলি নদী ও বঙ্গোপসাগরের মিলনস্থানকে বলা হয়ে থাকে গঙ্গাসাগর। বাংলার তীর্থভূমি হিসেবে পরিচয় বহন করে আসছে। আবার মেলাভূমিরও রূপ নিয়েছে। দুয়ের মেলবন্ধনে গঙ্গাসাগর-মেলা। উল্লেখ করা যায়, সাগরদ্বীপের দক্ষিণপ্রান্তে হুগলি নদী বা গঙ্গা নদী বঙ্গোপসাগরে এসে মিলেছে। সাগরদ্বীপ হল- বঙ্গোপসাগরের মহাদেশীয় অবস্থানের একটি দ্বীপ। কলকাতা শহরের ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গঙ্গাসাগর।

Read More
ambika kalna and history

অম্বিকা কালনার পথে-প্রান্তরে

অম্বিকা অম্বা কালীর এক রূপ। এখানকার খ্যাতি ছড়িয়ে রয়েছে মহাপ্রভু চৈতন্যের আগমনকে কেন্দ্র করে। তবে জনপ্রিয় পর্যটন ক্ষেত্র বলতে ১০৮ শিবমন্দির। রয়েছে রাজবাড়ি। টেরাকোটার কাজ সমৃদ্ধ মন্দিরও এখানে দেখতে পাবেন। লালজি মন্দিরের দর্শন মিলবে এখানে। পাবেন মন্দিরময় গ্রাম বাংলার স্পর্শ। প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে রাসমঞ্চ ও নাটমন্দিরের দেখা মিলবে। জেলার প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, গিরিগোবর্ধন মন্দির,রূপেশ্বর মন্দির,কৃষ্ণচন্দ্র মন্দির ও ভবাপাগলা মন্দির সহ একাধিক মন্দির। কোথায়- কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন?প্রথমে জেনে নিন এটি কোথায়। ভাগীরথীর পশ্চিম পাড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার অম্বিকা কালনা। আকর্ষণের বিষয় হল-মহাপ্রভু চৈতন্যের পদধূলি পড়েছিল এখানে। স্থানীয়ভাবে প্রচলিত রয়েছে,এখানে এসে তিনি বিশ্রাম নিয়েছিলেন।
আমলীতলার বিশ্রামস্থলে মহাপ্রভুর পদচিহ্ন শোভা পায়। সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নজরে আসবে। এটি অম্বিকা সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির নামে পরিচিত। নিমকাঠে নির্মিত দেবী এখানে বামা কালী হিসাবে পূজিত হয়ে থাকেন। কথিত রয়েছে,ঋষি
অম্বরীশ প্রাচীনকালে এই দেবীর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। টেরাকোটার কারুকার্যে পৌরাণিক কাহিনীর উল্লেখ পাওয়া যায়। এই জেলায় ১০৮ শিবমন্দিরের দর্শন পাবেন।

Read More
sundarban ture

বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অঞ্চল। উপকূলবর্তী গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের ব-দ্বীপ অঞ্চল। ভারত ও বাংলাদেশ জুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। এক অদ্ভুত বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায় এখানে। জলে কুমির ও ডাঙ্গায় বাঘের মুক্তাঞ্চল বলা হয়ে থাকে। সুন্দরী-গরান-হেঁতাল সহ নানা ম্যানগ্রোভ অরণ্যের সমাহার। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তর চব্বিশ পরগনা জুড়ে যে জল-জঙ্গলময় অরণ্য রয়েছে সে কথাই তুলে ধরতে চাই। এখানে জলযানই একমাত্র গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। নদীর দু-পাশে অরণ্য ও জলরাশি বেষ্টিত। আশাকরি বুঝতেই পারছেন কোথাকার কথা বলছি। বিস্ময় জাগানো ভ্রমণক্ষেত্র-সুন্দরবন। কীভাবে যাবেন তা নিয়ে ভাবছেন? শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ক্যানিং পৌঁছে সুন্দরবন যাওয়া যায়। এছাড়া গাড়ি নিয়ে বাসন্তী ব্রিজ পার হয়ে গোসাবা পৌঁছেও সুন্দরবন যাওয়া যায়। তবে সজনেখালিতে বনদফতরের অফিস থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি পেলেই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারবেন। প্রথমেই জেনে নিন-সোনাখালি,ঝড়খালি,নামখানা,ধামাখালি,গদখালি,হাসনাবাদ থেকে সুন্দরবন ভ্ৰমণ শুরু করা যায়।

Read More
bhiringi mandir

ভিরিঙ্গী কালী মন্দিরের মা কমলা স্বরূপা

পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরের ভিরিঙ্গী কালী মন্দিরের জনপ্রিয়তা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। স্থানীয় সূত্রের খবর, সিপাহি বিদ্রোহের পূর্বে প্রতিষ্ঠা হয় এই মন্দিরের। ভক্ত ও দর্শনার্থী সমাগম দিন দিন বাড়ছে। ভক্তি- শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস ভরে এই মন্দিরে পুজো দিতে আসেন বহু মানুষ। সমাজের বিশিষ্ট মানুষও এই মন্দিরে পুজো দিয়ে থাকেন। মন্দিরের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের ভিরিঙ্গী কালী মন্দির ১৭২ বছরে পদার্পন করেছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই মন্দিরে কালী মায়ের কাছে পুজো দিয়ে থাকেন। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ১৮৫২ সালে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। শ্মশানকালী মন্দির বলা হলেও এখানকার কালী মাতা কমলা স্বরূপা।অন্নপ্রাশন থেকে শুরু করে বিবাহ সহ বিভিন্ন মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান এখানে পালন করা হয়ে থাকে। প্রতিবছর অগ্রহায়ণের অমাবস্যায় এই মন্দিরের বিশেষ বা বাৎসরিক পুজো হয়ে থাকে।

Read More