নির্ধারিত দিনক্ষণ মেনেই বাকি ৪ দফার ভোট

evm and election

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: সর্বদলীয় বৈঠক। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ছে করোনা পরিস্থিতি। এই নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এখনও বাকি ৪টি দফার নির্বাচন। এই আবহে আজ বেদী ভবনে নির্বাচন কমিশনের ডাকে বৈঠকে রাজ্যের সবকটি দল। আলোচনার বিষয়বস্তু করোনা পরিস্থিতিতে ভোটগ্রহণ পর্ব। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের শাসকদল বাকি দফাগুলির সংযুক্তি চায়। করোনা সংক্রমণ এড়ানোর জন্য বাকি দফাগুলি একদিনে করার ভাবনা-চিন্তা। রাজ্যে ৮ দফায় ভোটগ্রহণের বিরোধিতা প্রথম থেকেই করা হয়েছে। পরিস্থিতি জটিল হয়েছে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায়। উল্লেখ করা যায়,অন্যদিকে সংযুক্ত মোর্চার পক্ষ থেকে প্রস্তাব- ভোটগ্রহণে সতর্কতা বাড়ানো। এক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মোর্চা ইতিমধ্যেই বড় সভা না করার কথা ঘোষণা করে।

অন্যদিকে কমিশন সূত্রের খবর, চার দফার সংযুক্তি সম্ভব নয়। যেভাবে প্রোগ্রামিং করা হয়েছে তাতে চার দফার নির্বাচন হঠাৎ বদলে ফেলাও অসম্ভব। আবার বঙ্গ ভোটে ষষ্ঠ দফায় ৯২৪ কোম্পানি, সপ্তম দফায় ৭৯১ কোম্পানি, অষ্টম দফায় ৭৪৬ কোম্পানি বাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনটে দফা মিলিয়ে মোট ২৪৬১ কোম্পানি বাহিনী লাগবে। এক দফার মধ্যে এই বাহিনী রাজ্যে এনে ভোট করা সম্ভব নয় বলেও জানানো হয়েছে। আবার কমিশন সূত্রে আরও বলা হয়েছে, বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে যে রিপোর্ট দিয়েছেন সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সশস্ত্র বাহিনী দিয়ে ভোট না করানো হলে বুথ ক্যাপচারিংয়ের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে ভোটের পক্ষেই মত রয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একটা অংশ বলছেন, এক দফায় বাকিপর্ব মিটে যাক এমনটা চাইছে না বিজেপি। কমিশন কী সিদ্ধান্ত নেয় তা নিয়ে উদ্বেগ ছিল। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গিয়েছে,নির্ধারিত দিনক্ষণ মেনেই বাকি ৪ দফার ভোট হবে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই বলা হয়েছে। আবার মানুষের জীবন নিয়ে খেলতে চাই না। ভোট পিছিয়ে দিলেও মেনে নেব বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *