পৃথিবী বৈচিত্র্যময়-সুন্দর কেন জানেন?

man and nature

অসৌজন্যমূলক ও রুচিহীন অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এতে মানুষের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ করে। অপমানিত করার প্রচেষ্টা থেকে বিরত থাকুন। আমাদের চারপাশে অনেক মানুষকে এই ধরণের আচরণ করতে দেখি আমরা। কথার মাধ্যমে সূক্ষ্মভাবে খোঁচা দেওয়া ঠিক কাজ নয়। কোনও ব্যক্তিকে অস্বস্তিতে ফেলার জন্য এমনটা করা হয়। মনে রাখতে হবে-খোঁচা দিয়ে কথা বলা স্পষ্টবাদিতা নয়। এক্ষেত্রে কিছু মানুষ বিশ্বাস করে থাকেন, এমন আচরণ বা মতামত সঠিক। কিন্তু বাস্তবে তা নয়। এটা একজনের কাছে সেরা মনে হলেও তা অন্যের দৃষ্টিতে একরকম নয়। বিষয়টি অগ্রহণযোগ্যও হতে পারে। অন্যের জীবন নিয়ে অযথা মন্তব্য করতে যাবেন না। এসব করার আগে নিজেকে ভাবতে হবে।
সংযত আচরণ করলে অসুবিধার তো কিছু নেই।
লক্ষ্য করে দেখবেন, অনেক মানুষ রয়েছেন যাঁরা নিজের পরিচয়ে পরিচিতি পেতে পছন্দ করে থাকেন। কেউ আবার অন্যের পরিচয়ে নিজেকে জাহির করেন। কোনটা সঠিক বা কোনটা বেঠিক এই প্রশ্নটা নিজের মনকে বললেই উত্তর এসে যাবে মনের মধ্যেই। অন‍্যের আচরন,পেশা,চেহারা নিয়ে কথা বলাটা ঠিক নয়। যদি আপনি আপনার মুখটা একবার আয়নায় দেখে নেন তাহলে অন‍্যকে কিছু বলার আগে একটু হলেও চিন্তা করবেন। মাথায় রাখবেন, সবাই তো পারফেক্ট হতে পারে না। সবার পছন্দও এক হতে পারে না। সহনশীল হতে চেষ্টা করবেন। অন্যের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করতে হবে। অপ্রয়োজনীয় সমালোচনা এড়িয়ে চললে ভালো হবে। অন্যের অবস্থান থেকে চিন্তা করতে হবে, গোটা বিশ্বের ভিন্ন মত ও ভাবনার সমন্বয় রয়েছে বলেই পৃথিবী বৈচিত্র্যময় ও সুন্দর হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *