পরিবেশবিদ্যা ও স্বচ্ছ ধারণা

environmental science

শিক্ষা মানেই শুধু ডিগ্রি অর্জন করা নয়,ব্যবহারিক জীবনে তা কার্যকর করার কথাও ভাবতে হয়। খেয়াল করে দেখবেন,পাঠ্যসূচিতে থিওরির পাশাপাশি প্রাকটিক্যাল বিষয়টিও জড়িত থাকে। পরিবেশবিদ্যা বিষয় নিয়ে এখন জোর চর্চা চলেছে।এই বিষয়ে পুঁথিগত বিদ্যার বিষয়টি ছাড়াও ব্যবহারিক দিকগুলো বেশি করে শিখে নিলেও পরিবেশ বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা গড়ে উঠবে। স্কুলগুলিতে সিলেবাসে এই বিষয়ের প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিবেশ সচেতনতার বিষয়টিতে অধিক গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। পরিবেশ দূষণে সমাজে কী কী ক্ষতি হচ্ছে বা হওয়ার সম্ভাবনা তা জনমানসে সচেতন করতে হবে। এই বোঝানোর তৎপরতা পড়ুয়াদের দেখাতে হবে।দক্ষ শিক্ষকদের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিস্তার লাভ করাতে হবে।

কথায় বলা হয়,পরিবেশ মানুষকে যে শিক্ষা দিয়ে থাকে, পাঠ্যপুস্তকও তা দিতে পারে না। পড়ুয়াদের বেশি মনে রাখতে সহায়তা করে প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস। বিষয়বস্তুগুলি ছবির মতো মনে ভেসে উঠে। পরিবেশ রক্ষা করা আমাদের সকলের সামাজিক কর্তব্য। সেই বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজটি স্কুলজীবন থেকে শুরু করলে ভালো হয়। পরে তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞ শিক্ষকরা বলছেন,প্রকৃতি,ব্যক্তি,সমাজ ও বিশ্বের ওপর এর প্রভাব বোঝার জন্য পরিবেশ বিদ্যা বিষয়ে আরও বেশি প্র্যাকটিক্যাল পাঠ আরও বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *