জ্বর-মাথাব্যথা ও সর্দি-কাশির মুক্তিতে ঘরোয়া পদ্ধতি

winter and health

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: জ্বর-মাথাব্যথা ও সর্দি-কাশি এইসময় বেড়ে যায়। কড়া কড়া ওষুধ না খেয়ে সহজ ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে তা মোকাবিলা করা যেতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের এই সময় আমাদের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এই সময়টা জ্বর, সর্দি-কাশি ও বুকে কফ জমে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ডাক্তারের কাছে গেলে কড়া কড়া অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হয়। শরীর ক্লান্ত পড়ে। কাজ করার ক্ষমতা কমে যায়। খুব প্রয়োজন না হলে অ্যান্টিবায়োটিক না খেয়ে ঘরোয়া উপায়ে জ্বর ও সর্দি-কাশির মোকাবিলা করতে পারেন। ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে পেঁয়াজের রস, লেবুর রস, মধু এবং জল একসঙ্গে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। এই মিশ্রণটা হালকা ঠাণ্ডা করে দিনে ৩-৪বার খেতে হবে। কাঁচা পেঁয়াজও চিবিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

আবার হলুদে রয়েছে কারকুমিন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যা বুক থেকে কফ, শ্লেষ্মা দূর করে বুকের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান গলা ব্যথা ও বুকের ব্যথা দূর করে।এক্ষেত্রে এক গ্লাস স্বল্প গরম জলে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এ বিষয়ে আরাম পাওয়া যায়। এক গ্লাস দুধে হাফ চা চামচ হলুদগুঁড়ো মিশিয়ে ফোটাতে হবে। ২ চা চামচ মধু ও সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে মিশ্রণটি দিনে ২-৩বার খাওয়া যেতে পারে। উপকার পাওয়া যায়।

লেবু জলে ১ চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে। মধু শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটিরিয়া ধ্বংস করে থাকে। বুক থেকে কফ সরে গিয়ে গলা পরিষ্কার রাখে।
অন্যদিকে ফুটন্ত গরম জলে মেন্থল মিশিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এবার মাথার উপর টাওয়েল চাপা দিয়ে বড় দম নিয়ে গরম জলের ভাপ নিতে হবে। দিনে ২ বার অন্তত ৫-১০ মিনিট করলে উপকার পাওয়া যায়। বুকে জমা কফ দূর করার জন্য দিনে ২-৩ বার উষ্ণ গরম নুন জল দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *