উত্তর দিনাজপুরে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর ভেষজ রঙ

holy and colour

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: করোনা আবহ রয়েছে। রঙ খেলা নিয়ে এবার বিড়ম্বনা রয়েছে। তবে দোলে রয়েছে ভেষজ রঙ। এই আবির বিক্রি করে মহিলারা হচ্ছেন স্বনির্ভর। এই মহিলারা২০২০ সাল থেকে ভেষজ আবির তৈরি করছেন। দোলে কেমিক্যাল রঙে অনেকেই আপত্তি করেন। তার জন্য ভেষজ আবির তৈরি করে লাভের মুখ দেখছে উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি স্বনির্ভর গোষ্ঠী। চোপড়া ধন্দুগছ শক্তি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এই প্রয়াস। আগামী দিনে এই গোষ্ঠী আরও বড় প্রকল্প নিয়ে চলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,এই স্বনির্ভর মহিলা গোষ্ঠী সারা বছর বিভিন্ন জাতের মাশরুম চাষ করে অর্থ উপার্জন করে থাকেন। ৮-১০ জন মহিলা এই কাজে নিয়োজিত। উল্লেখ করা যায়,প্রতিবছর চৈত্র মাসে দোল উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই সময় বাজারে কম দামে রাসায়নিক রঙ বিক্রি হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মানুষের চামড়ার দারুণ ক্ষতি হয়। চোখে রাসায়নিক আবির গেলে চোখের সমস্যা তৈরি হয়। পেটের অসুখও দেখা দেয়। স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যরা ভেষজ আবির তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। উত্তর দিনাজপুর জেলার কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র থেকে ভেষজ আবীর তৈরির প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা।

স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি দফতরে গিয়ে এই আবির বিক্রি করে থাকেন। আবীর প্রস্তুতকারী মহিলা গোষ্ঠী সূত্রের খবর, গাঁদা ফুল, হলুদ, বিট,গোলাপ,পলাশ সহ বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে এই আবির বানানো হয়। এ ধরনের আবির ব্যবহার করলে চামড়া,চোখ বা শরীরে কোনও ক্ষতি হয় না। দোল আসলেই ভেষজ আবির তৈরিতে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন তাঁরা । স্থানীয় এলাকা ছাড়াও ইসলামপুর, বিধাননগর,শিলিগুড়ি ও কোচবিহারে এই আবির পৌঁছে যায় । গুনগত মান ভাল হওয়ায় অর্ডার আসছে। এখন এই ভেষজ আবির তৈরিতে ব্যস্ত ধন্দুগছ শক্তি স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। ১০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি পর্যন্ত প্যাকেটে এই আবির বাজারে বিক্রি করা হয়ে থাকে। দামও সাধ্যের মধ্যে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *