কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে প্রশাসনিক পদক্ষেপ

jaghodhatri and krisnanagar

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণনগরে জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে প্রশাসনের কাছে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। পুজো উতরানোই এখন প্রশাসনিক পরীক্ষা। সূত্রের খবর,জগদ্ধাত্রী পুজোর বারোয়ারি কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রশাসনের কর্তা-ব্যক্তিরা। এক্ষেত্রে আবারও স্পষ্ট জানানো হয়েছে,করোনা আবহে কোনভাবেই সাঙে বিসর্জন দেওয়া যাবে না।
সূত্রের আরও খবর,শহরের প্রায় সব প্রতিমা সাঙে যাওয়ার রীতি থাকলেও এ বছর করোনা আবহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তা এক্কেবারে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তবে কালী পুজোয় সেই নির্দেশ অমান্য করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরের সর্বত্র আলোড়ন তৈরি হয় । পোস্ট অফিস মোড়, চ্যালেঞ্জ মোড়ের ভিড় অতিক্রম করে জলঙ্গীর ঘাটে পৌঁছোয় প্রতিমা। এই ঘটনায় কৃষ্ণনগর সিটি পুলিশের পক্ষ থেকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এই শহরের প্রধান উৎসব জগদ্ধাত্রী পুজো। ফলে চিন্তায় শহরের সচেতন মানুষজন। উল্লেখ করা যায়,পুলিশ-প্রশাসন কালীপুজোয় কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল সন্ধ্যার মধ্যে নিরঞ্জন পর্ব শেষ করতে হবে। তবে বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি। রাত পর্যন্ত চলেছে বিসর্জন -পর্ব । শহরের রাস্তায় ভিড় জমিয়েছিলেন অনেক সাধারণ মানুষ। এরপর জগদ্ধাত্রী পুজোর বারোয়ারি কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রশাসনের কর্তারা। ওই বৈঠকে জানানো হয়েছে, এবার সাঙে বিসর্জন দেওয়া যাবে না। পাশাপাশি ঘট- বিসর্জন এবং প্রতিমা রাজবাড়িতে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রেও আগের সিদ্ধান্তই বহাল রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে জগদ্ধাত্রী পুজোয় বিসর্জনের শোভাযাত্রা বা সাঙ করা নিয়ে তরুণ প্রজন্ম এবং প্রবীণরা ভিন্ন মত পোষণ করেছেন। শহরের বুকে সাঙ বন্ধ করায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিক্ষোভও প্রদর্শন হয়। ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে ফ্লেক্স তরুণ প্রজন্মের একাংশ বিক্ষোভে সামিল হয়। বয়স্কদের একটা অংশ বলছেন, করোনা পরিস্থিতিতে এবার প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া উচিত শহরবাসীর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *