বাদামের মতো দেখতে গ্রহাণু বিজ্ঞানীমহলে বিষ্ময় হতে চলেছে :নাসা

nasa bennu

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: নাসার বড় সাফল্য প্রকাশ্যে এল। নাসা সূত্রের খবর,ব্রহ্মাণ্ডের উৎস খোঁজার জন্য ২০ কোটি মাইল দূরে গ্রহাণুতে পৌঁছে গিয়েছে মহাকাশযান। নাসার প্ল্যানেটারি সায়েন্সের বিজ্ঞানী লোরি গ্লেজ এ বিষয়ে জানিয়েছেন, এই গ্রহাণু সম্পর্কে জানা সম্ভব হলে পৃথিবীর উৎপত্তি নিয়ে অনেক কথায় জানা যাবে। এক্ষেত্রে নাসা সূত্রে বলা হয়েছে, বাদামের মতো দেখতে এই গ্রহাণু। যার বয়স ৪৫০ কোটি বছর।

সৌরজগতে যে ১০ লক্ষের কাছাকাছি গ্রহাণু অবস্থান করে তার মধ্যে বেন্নু (Bennu) অন্যতম একটি। আর তাতে এবার পা রাখল নাসার মহাকাশযান। এক্ষেত্রে আরও জানা যায়, মহাকাশযানটির আকার বেশ কিছুটা লম্বা বাসের মতো। তবে সেটি পৃথিবী থেকে এই বিপুল দূরত্বে অবস্থিত গ্রহাণুকে নতুন করে চিনতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন নাসার বিজ্ঞানীরা। সফলভাবে এই মহাকাশযান পৃথিবীতে ফিরে আসলে এটিই হবে নাসার সবচেয়ে বড় সাফল্য।

বিজ্ঞানীরা ওই গ্রহাণুর বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারলে অনেক রহস্যের সমাধান করা যাবে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীমহল। এ বিষয়ে বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, মহাকাশযানটি ইতিমধ্যে ওই গ্রহাণুতে পা রেখেছে।
নানারকম উপাদান সংগ্রহ করবে যানটি। ২০২৩ সালে পৃথিবীতে ফেরত এলে সেই উপাদান পর্যবেক্ষণ করে অনেক অজানা তথ্য সামনে আসবে বিজ্ঞানীদের কাছে। প্রসঙ্গত, সাধারণতভাবে অসংখ্য গ্রহাণু সৌরজগতের নানা প্রান্তে অবস্থান করছে। সেগুলির উপাদান সম্পর্কে মানুষ ধারণা করতে পেরেছে মাত্র। অন্যদিকে এই গ্রহাণুর মধ্যে থাকতে পারে অনেক মহামূল্যবান উপাদান। যেমন -কাদা,মাটি ও জল।

বাদামের মতো দেখতে এই গ্রহাণু তাই বিজ্ঞানীদের কাছে এক বিষ্ময় হতে চলেছে।নাসার প্ল্যানেটারি সায়েন্সের বিজ্ঞানী লোরি গ্লেজ এ প্রসঙ্গে জানান,এই গ্রহাণু সম্পর্কে জানতে পারলে পৃথিবীর উৎপত্তি নিয়ে অনেক কথা জানা যাবে। কী করে এই সৌরজগত তৈরি হয়েছে তা স্পষ্ট হবে। ২০১৬ সালে অ্যাটলাস ভি রকেটের মাধ্যমে এটি মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল। এরপর গ্রহাণুর মাটি স্পর্শের পূর্বে সন্ধান চালাতে থাকে মাটিতে নামার মতো সঠিক জায়গার। ২বছর ধরে সেই সন্ধান চালানোর পর এটি গ্রহাণুতে নেমে আসে বলে জানা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *