দুরারোগ্য রোগেও নিমপাতার গুণাগুণ জেনে নিন

Neem Leaves

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : দুরারোগ্য রোগে নিমপাতার গুরুত্ব রয়েছে। বহু মানুষই সেকথা জানে। নিমপাতার গুণাগুণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা নানা সময় ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। কচি নিমপাতা আমাদের সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। নিমপাতা ভাজা আমরা খেয়ে থাকি। পাশাপাশি নিমপাতা সিদ্ধ জল, নিমপাতার গুঁড়ো, নিমছাল সিদ্ধ বা ভেজানো জল আমরা নানাবিধ রোগ মুক্তিতে ব্যবহার করি। কচি নিমপাতা ভেজে গুঁড়ো করে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যকৃতের ক্রিয়াহ্রাসে, অরুচি, কৃমি, জন্ডিস, মধুমেহ ও উচ্চ রক্তচাপ প্রভৃতি রোগের ক্ষেত্রে নিমপাতা ব্যবহার করা যেতে পারে। আবার অ্যালার্জি-খোসপাঁচড়া-চুলকানি, রক্তে কোলেস্টেরলের বৃদ্ধি ঘটলে ও ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি উদ্বেগ ও অবসাদ, শরীর থেকে টক্সিন বের করতে হলে রক্তে শ্বেতকণিকা ও রক্তকণিকার পরিমাণ ঠিক রাখতে, ফুসফুসের সংক্রমণে ও মারাত্মক রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনে এটা ব্যবহার করা যায়।

এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের আরও বক্তব্য, আমবাত ও সন্ধিবাতে, জ্বর ও ম্যালেরিয়ায়, পেপটিক ও ডিওডিনাল আলসারে ও নানাবিধ সংক্রমণে নিমপাতার উপকারিতা রয়েছে। ক্যান্সার প্রতিরোধেও নিমের ব্যবহার করা যেতে পারে। নিত্যনতুন গবেষণাও অব্যাহত নিমগাছ ও নিমপাতা নিয়ে। নিমপাতার চা-ও ব্যবহার করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ৪-৫ গ্রাম নিমপাতা এককাপ ফুটন্ত জলে ৩-৪ মিনিট ভিজিয়ে রাখার পর সেটি ছেঁকে সকালে চায়ের মতো খাওয়া যেতে পারে। পাতা শুকনো হলে ২ গ্রাম প্রয়োজন হয়। চিনি বা গুড় মেশাতে চাইলে সেটি নিমপাতার সঙ্গে রেখে তারপর গরম জল দিয়ে ঢেকে রেখে ছেঁকে নিতে হবে। এক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় সপ্তাহে ২-৩ দিন খাওয়া হলে অনেক উপকার পাওয়া যাবে। নিমপাতার চা খুবই উপকারী, এমনটাই জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *