সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার রসদ ফুরাচ্ছে

UNEMPLOYED

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ করোনা পরি স্থিতিতে প্রায় দেড় মাস কাজকর্ম বন্ধ। এই বিপর্যস্ত অবস্থার মধ্যেও ইলেক্ট্রিক বিল, রান্নার গ্যাস, ফোনের মাসিক রিচার্জ ব্যাঙ্ক ও ফাইনান্স ব্যাঙ্কের ইএমআই দিতে হচ্ছে।তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কয়েকটা দিন কিস্তির সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ঠিক সময় কিস্তির টাকা না মেটাতে পারলে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি পরে চড়া সুদ-সহ টাকা আদায় করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে।আবার উজ্জ্বলা যোজনা, প্রচেষ্টাবা প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্যাকেজের আর্থিক সাহায্য অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মধ্যবিত্ত ওদিন মজুর বা বেকার মানুষের কাছে যথাসময়ে পৌছায় না, এমনও অভিযোগ। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দামও এখন আকাশছোঁয়া।সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। সরকারি -বেসরকারি মাস মাইনে ছাড়া অন্য পেশার বেশির ভাগ মানুষ কাজ হারিয়ে অসহায়। কবে মানুষ কাজে যোগ দিতে পারবে তার কোনও নিশ্চয়তা নেই।অন্যদিকে ব্যাঙ্ক ব্যালান্স- ও প্রায় ফাঁকা।উল্লেখ করা যায়, সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমিক -এর তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে বেকারত্বের হার বেড়ে হয়েছে পারে ২৫শতাংশে পৌঁছেছে। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষ বাঁচবে কি করে,তা নিয়ে ঘোরতর অনিশ্চয়তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *