স্কুল পড়ুয়াদের সুরক্ষিত রাখতে গাইড লাইন

school and septy

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক মহল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভরসা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবে মা-বাবা ও অভিভাবকদের চিন্তা দূর হচ্ছে না। করোনা আবহে আদরের সন্তান নিয়ে উদ্বেগ রয়েই গিয়েছে। কী কী সচেতনতা নিলে সন্তানদের সুরক্ষিত রাখা যাবে,সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কিছু গাইড লাইন তুলে ধরা হল।

দীর্ঘ সময় পর অনেকটাই ছন্দে ফিরে এসেছে মানুষের জীবন। স্কুলও খুলে গিয়েছে। করোনাভাইরাসের চোখ রাঙানি এখন সেভাবে নেই। প্রায় ২ বছর পর আবারও স্কুলে পা রেখেছে পড়ুয়ারা। ফের স্কুল-ব্যাগ, টিফিন বক্স আর বন্ধুদের সঙ্গ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। ছোট-বড় পড়ুয়ারা অনেকটাই স্বস্তিতে। তবে পাল্টে গিয়েছে জীবন-যাত্রার ধরন। মারণ ভাইরাস জীবন ও যাপনকে অনেকখানি বদলে দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এক্ষেত্রে বলছেন, অভিভাবকদের ভূমিকাটাও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। বাচ্চাদের স্কুলে পৌঁছে দেওয়া ও স্কুল থেকে নিয়ে আসা সবটাই করে থাকেন তাঁরা। এই পুরো সময়টিতে অভিভাবকদের অনেকগুলি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। জনবহুল এলাকাতে গেলে অবশ্যই মাস্ক পরাতে হবে। এ বিষয়ে আরও জানানো হয়েছে, মাস্কটি এন-৯৫ মাস্ক না হলে ভালো হয়। সার্জিকাল থ্রি লেয়ার মাস্ক বা সম্ভব হলে ডাবল লেয়ার মাস্ক পরাতে হবে।

কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করতে হলে সতর্ক হতে হবে। নিত্য তা পরিষ্কার করে দিতে হবে। ছাত্র-ছাত্রীদের স্কুল ব্যাগে অতিরিক্ত পরিষ্কার মাস্ক ও স্যানিটাইজার দিয়ে দিতে হবে। সাবান দিয়ে দিলে ভালো হয়। অভিভাবকদের অবশ্যই বলে দিতে হবে,কোথাও হাত দিলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই হাত ধুয়ে নিতে হবে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের আরও নির্দেশ, ক্লাসে মাস্ক পরে থাকলেও কিছু সময় অন্তর মাস্ক খুলে লম্বা শ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। শ্বাস নেওয়ার পর আবার মাস্কটি পরে নেওয়া দরকার । স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে আসার পর মাস্ক খুলে অন্যান্য বিধি-নিষেধগুলি মেনে চলতে হবে। শিশু-কিশোর পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ সতর্কতাগুলি অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

মনে রাখতে হবে- বাড়িতে বয়স্ক মানুষ থাকলে বাচ্চাদের একটু দূরে রাখাই ভাল। স্কুলের ক্ষেত্রে টিফিন ভাগ না করে খাওয়াই ভাল। স্কুলে কোনও বাচ্চার সর্দি কাশি হলে সাবধানী পদক্ষেপ নিতে হবে। জ্বর-সর্দি ও কাশি হলে স্কুলে যাওয়া বন্ধ করতে হবে। আইসোলেটেড করে অভিভাবকদেরই বাচ্চাদের বাড়িতে রাখতে হবে। (ছবি: সংগৃহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *