শ্রীজগন্নাথের আবির্ভাব সূচি
রথেতু বামনাং দৃষ্টা ,
পুনজন্ম ন বিদতে।
-সূতসংহিতা
শ্রীজগন্নাথের বামন অবতার রথে।
সেই রথ দর্শন করার পর একটু
টানলে পুনজন্ম হয় না।
রথেতু বামনাং দৃষ্টা ,
পুনজন্ম ন বিদতে।
-সূতসংহিতা
শ্রীজগন্নাথের বামন অবতার রথে।
সেই রথ দর্শন করার পর একটু
টানলে পুনজন্ম হয় না।
গঙ্গা দশমী বা গঙ্গা দশহরা। প্রচলিত রয়েছে এই তিথিতে মা গঙ্গা মর্ত্যে আবির্ভূত হয়েছিলেন। গঙ্গাস্নান,পুজো, দান ও মন্ত্রজপ করলে দশপাপ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। শুভ ফল পাওয়া যায় ।
Read Moreবাংলায় পালিত হয় দশহরা। এ বছর ১৬ জুন পড়েছে এই পর্বটি । ১ আষাঢ় ১৪৩১রবিবার বাংলা তারিখে এই দিনটি পড়েছে। আবার এই দিনটিতে গঙ্গাপুজো হয়ে থাকে। হিন্দু মতানুসারে বলা হয় বা প্রচলিত রয়েছে, মাতা গঙ্গা এই দিন কপিলমুনির আশ্রমে নেমে এসেছিলেন। আজও প্রচলিত রয়েছে,সগর রাজার পুত্ররা যাঁরা কপিলমুনির পাপে ভস্ম হয়ে গিয়েছিল। গঙ্গায় ছোঁয়ায় তাঁরা জীবন ফিরে পেয়েছিল। সেই বিশ্বাস মতে ভক্তরা গঙ্গার পুজো করে থাকেন।
Read Moreসংসার ক্ষেত্রে নারীশক্তির গুরুত্ব অনেকখানি। প্রাচীন মানুষরা সমস্যা মুক্তির উপায় খুঁজতেন বিশেষ পুজোপাঠে। গ্রহের শান্তি রক্ষায় দেব-দেবীর স্তব করে শুভ ফল মিলত বলে ধারণা। প্রাচীন মুনিঋষিরা সাধনালব্ধ জ্ঞানের মাধ্যমে ও ঈশ্বরপ্রদত্ত ক্ষমতায় বিভিন্ন পথের সন্ধান দিয়েছেন। নারীদের সম্মান ও সমাদর করার কথাও বলেছেন। শাস্ত্র মতে বলা হয়,শুভকর্ম সব সময় শুভফল প্রদান করে থাকে। সংসার ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় ভক্তি-সহকারে পুজো দেওয়ার চল রয়েছে নারীদের। মুনিঋষিরা এবং শাস্ত্র বিশেষজ্ঞরা বলছেন,জগৎ সংসারে মায়েরা বা নারীরা আদ্যাশক্তি রূপে থাকেন। নারীশক্তি তাই লক্ষ্মীস্বরূপা।
Read Moreসন্ধ্যায় খাওয়া-দাওয়া ও শুয়ে থাকা অমঙ্গল। পন্ডিত ও শাস্ত্রবিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্ধ্যায় ভোজন ও শয়ন করলে রোগভোগ বেড়ে যায়। দুঃখ-দারিদ্রতাও বাড়তে থাকে। অনেকের অভ্যাস ও স্বভাব রয়েছে সন্ধ্যে নামলেই খাওয়া-দাওয়া করে শুয়ে পড়েন । শাস্ত্রবিশেষজ্ঞরা এক্ষেত্রে বলছেন, এই সব ব্যক্তিরা জীবনে চলার পথে ঘৃণিত ও ব্যর্থ হয়ে থাকেন। গৃহে অনেকগুলি শুভ বিষয় থাকে। এমনটা হলে গৃহের শুভ দিকগুলি বিঘ্নিত হয়ে থাকে। তাই বলা হয়ে থাকে ভর সন্ধ্যায় খাওয়া-দাওয়া ও শুয়ে থাকা ঠিক নয় অমঙ্গল বয়ে আনে।
Read Moreদেবী গন্ধেশ্বরী মা দুর্গার ভিন্নরূপ। অনেকের কাছে এই দেবীকে অচেনা-অজানা মনে হয়। তবে বাঙালির কাছে গন্ধেশ্বরী পুজোরও একটা ঐতিহ্য রয়েছে। বৈশাখ মাসের পূর্ণিমা বা বুদ্ধপূর্ণিমা তিথিতে এই পুজো হয়ে থাকে। এই পুজোর নেপথ্যে রয়েছে নানা লৌকিক ও পৌরাণিক ইতিহাস। প্রচলিত রয়েছে, চোর-ডাকাতের উপদ্রব থেকে বিপদসঙ্কুল পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য দেবী গন্ধেশ্বরীর পুজোর চল।
আবার সমস্ত রকম দুর্যোগ,প্রতিকূলতা থেকে এই দেবী রক্ষা করে থাকেন। পুরাণ মতে গন্ধাসুর নামক এক অসুরের বর্ণনাও পাওয়া যায়।
মা সারদা একটি কথা বলেছেন,”ভগবান দর্শন বলো,ধ্যান বলো,সবই মন। নিত্য ধ্যান করবে। কাঁচা মন কিনা। ধ্যান করতে করতে মন স্থির হয়ে যাবে।”…. মাতা সারদা জগতের সেবা করেছেন নিরলসভাবে। তাঁর মতো মাতৃভাব জগতে খুবই কম দেখা গিয়েছে। অভাব-অনটনের মাঝে দাঁড়িয়েও তাঁর উপলব্ধির কথা তিনি তুলে ধরেছেন। দেবী সারদার কথায়,” একশো জনকে খাওয়াতে হবে না,কিন্তু চোখের সামনে একজন ক্ষুধার্তকে দেখলে তাকে একটু খেতে দিও।” শ্রীরামকৃষ্ণের সহধর্মিনী মা সারদা বলেছেন,ঈশ্বর ছাড়া কোন কিছু হওয়ার সাধ্য নেই। একটা ঘাসও নড়ে না। মা সারদা সবচেয়ে সহনশীল ছিলেন এবং সব ধর্মকে মর্যাদা দিয়েছেন। সারদা মা-র মুখ…
Read Moreনীলকণ্ঠ শিবের অপর নাম। চৈত্র সংক্রান্তির চড়ক উৎসবের পূর্বদিন নীলপুজো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। নীলষষ্ঠী এক লৌকিক উৎসব। হিন্দু সমাজের কাছে মহাদেবের এই পুজোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। প্রচলিত নিয়ম বা শাস্ত্রীয় পণ্ডিতদের মত অনুযায়ী বলা হয়েছে,নীল বা শিবের সাথে নীলচণ্ডিকা বা নীলাবতীর বিয়ে উপলক্ষে এই লৌকিক আচার পালন করা হয়। নীলপুজো শিব ও নীলাবতীর বিবাহ অনুষ্ঠানের বিষয়।
Read Moreঅবুঝকে ক্ষমা করে দিও মা……
Read Moreভক্তি-শ্রদ্ধায় মায়ের স্মরণ……
Read More