স্কুলে পড়ুয়াদের নিয়ে এনসিইআরটি-র সমীক্ষা
সাফল্যে সমীক্ষা। সূত্রের খবর, দেশ জুড়ে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের গত ২ বছরের শিক্ষাগত সাফল্যের ওপর সমীক্ষা চালাবে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)।
সাফল্যে সমীক্ষা। সূত্রের খবর, দেশ জুড়ে সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের পড়ুয়াদের গত ২ বছরের শিক্ষাগত সাফল্যের ওপর সমীক্ষা চালাবে ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি)।
এবার বিনা-পরীক্ষার উচ্চ মাধ্যমিক ফল প্রকাশিত হয়। সূত্রের খবর, ১৮ থেকে ২০ হাজার পড়ুয়া অনুত্তীর্ণ হয়েছিলেন। আবার সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলির পাঠানো নতুন নম্বরের ভিত্তিতে তাঁদের ৯০ শতাংশই পাশ করেছেন।
নিয়োগে কাউন্সেলিং অনলাইনেই। সূত্রের খবর, প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগে অনলাইন কাউন্সেলিংয়ের নির্দেশিকা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রাথমিকে ১০,৫০০ পদে যেসব প্রার্থীর নিয়োগ বাকি, তাঁদের অনলাইনেই কাউন্সেলিং হবে।
দরিদ্র পরিবারগুলির অনেক শিক্ষার্থী এখনও কেবল গ্রামীণ অঞ্চলে নয় শহরতলিতেও অনলাইন পরিষেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। যদিও অনলাইন পঠন করোনায় চালু হয়েছিল, তারা স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট সংযোগের অভাবে এই ক্লাসগুলিতে অংশ নিতে পারে না। কিছু সংস্থা এ জাতীয় অভাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে টেলিফোন ক্লাসের ব্যবস্থা করছে।
বই-খাতা বিতরণ। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য স্কুলশিক্ষা দফতর থেকে দেওয়া বাংলা ও ইংরেজি বই ও খাতা বিতরণ করা হবে আগামী ১ জুলাই থেকে। এমনই নির্দেশ জারি করেছে স্কুলশিক্ষা দফতর।
টেট শংসাপত্রের মেয়াদ বাড়লেও চাকরির দাবি জোরালো হয়েছে। টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট (টেট) পাশের শংসাপত্র ৭ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকত নিয়ম অনুযায়ী। এবার শিক্ষক নিয়োগের ওই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে সেই শংসাপত্র সারা জীবনই বৈধ থাকবে।
করোনা্র প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে গোটা দেশব্যাপী। এই আবহে স্থগিত হয়ে গিয়েছে ইউজিসি-র ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট (নেট)। উল্লেখ করা যায়, মে মাসে এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
দশম-দ্বাদশ দুই পরীক্ষা পিছোল আইসিএসই। উল্লেখ করা যায়, এবারের মতো দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা পূর্বেই বাতিল করে দিয়েছে সিবিএসই। দেশে করোনার আবহ বাড়তে থাকায় এই সিদ্ধান্ত।
চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার সূচিতে কোনও বদল হচ্ছে না বলে জানিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। উল্লেখ করা যায়, বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় মাধ্যমিক পরীক্ষা পিছিয়ে যাচ্ছে বলে খবর প্রচারিত হয়।