বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, শনিবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকার কারণে গরম ও অস্বস্তি রয়ে যাবে।
রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, শনিবার পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হবে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকার কারণে গরম ও অস্বস্তি রয়ে যাবে।
দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা। বিকালের পর বা সন্ধ্যার দিকে ৫০-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
আজও রাজ্যজুড়ে ঝড়-বৃষ্টির ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কালবৈশাখীর সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।
হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।
বৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। তবে সামান্য বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া। দক্ষিণের জেলাগুলিতে চলবে তাপপ্রবাহ,এমনটাই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এক্ষেত্রে জানানো হয়েছে,পুবালি হাওয়ায় জলীয়বাষ্প প্রবেশ করছে। এই সব জলীয়বাষ্প বিহার ও ঝাড়খণ্ড অঞ্চলের ছোটনাগপুর মালভূমিতে গিয়ে মেঘের সঞ্চার হবে।
দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আজ থেকেই হাওয়া বদল হওয়ার সম্ভাবনা ৷ পূবালি হাওয়ার দাপট বাড়বে বলে জানানো হয়েছে ৷ পূবালি হাওয়ায় জেরে জলীয়বাষ্প প্রবেশ করবে ৷ এটি ঝাড়খণ্ড ও বিহারের ছোটনাগপুর এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করবে বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে ৷
তীব্র গরমের আঁচ। তাপমাত্রার রেকর্ড। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পথ-ঘাট ও চাষের জমি শুকিয়ে গিয়েছে। বৃষ্টির দেখা নেই। চাষীরা পড়েছে মহাসঙ্কটে। চাষবাস রীতিমতো মাথায় উঠেছে। আগুন ঝরা রোদে সবজি ক্ষেত শুকিয়ে যাচ্ছে। রোদের তেজে উৎপাদিত সবজি ফসল ঝরে ও শুকিয়ে যাচ্ছে।
বেশি তাপমাত্রার রেকর্ড। রাজ্যে একসঙ্গে বেশিরভাগ জেলায় হিট ওয়েভ সেভাবে দেখা যায়নি বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে। ইতিপূর্বে এই ধরণের আবহাওয়া বঙ্গে কম দেখা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চলের জেলাগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
তীব্র গরম। আর রোদের ঝলক। দাবদাহের পরিবেশ। সূর্যের কিরণে পোড়া ভাব হয়ে যাচ্ছে ত্বক। এই সময় হাইপারথার্মিয়া-য় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।একে বলা হয় “হিট ইলনেস” । এটি তাপমাত্রাজনিত অসুস্থতা ৷ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন,৪ বছর বয়সী শিশু থেকে ৬৫ বছর বয়সীরা আক্রান্ত হতে পারেন এই সময় ৷ শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে পড়লে এই সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে শরীর খুব ঠান্ডা হয়ে গেলে তখন তাকে বলে “হাইপোথার্মিয়া”৷
বেড়ে চলেছে সূর্যের তেজ। আরও বাড়ার ইঙ্গিত। দেশের একাধিক জায়গায় লু- বইছে। মৌসম ভবন সূত্রের খবর, দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা পরিলক্ষিত হয়েছে ৪৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিম রাজস্থানে এই পারদ চড়েছে। এখনও পর্যন্ত এটি সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা বলে উল্লেখ করা হয়েছে৷