কর্মসংস্থানের দিশা এবং বেকারদের চাকরির দাবি

MAN

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : কর্মসংস্থানের গ্রাফ নিম্নমুখী। চাকরি চাই, চাকরি চাই বলে তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ দিশেহারা। বেকারদের একটা সিংহভাগ প্রত্যাশা করছে চাকরির। লেখাপড়া শেখার পর একটা চাকরির আশা যুবক-যুবতীদের থাকেই। শিক্ষার উদ্দেশ্য এক্ষেত্রে তাই। শিক্ষান্তে একটা সরকারি চাকরি বা বেসরকারি ক্ষেত্রে চাকরির অন্বেষণে অনেকেই এগিয়ে চলে। তবে সরকারি চাকরির বাজার মন্দা। এক্ষেত্রে আন্দাজ করা যায়, চাকরি দেওয়া মানে, বিপুল অঙ্কের টাকা ওই চাকরি প্রাথীর জন্য মজুত রাখা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবস্থায় কাজ নেই শূন্যপদ ভরিয়ে এবং নানা নতুন পদ সৃষ্টি করে। এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মহলের স্পষ্ট বক্তব্য, ডিএ-পে কমিশন চালু করা যত সহজ, চাকরি দেওয়া ঠিক ততটাই কঠিন।

উল্লেখ করা যায়, আমাদের দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ১৫ কোটির কাছাকাছি। বেকার সমস্যা দূর করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের তেমন কোনও প্রয়াস নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। অন্যদিকে একটা অংশের মানুষের আরও অভিযোগ, সরকারের নীতি হল- ‘তেলা মাথায় তেল দেওয়া’। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, সরকারি কর্মীদের ডিএ-পে কমিশন সময় মতো দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। যে দেশে অগণিত কোটি কোটি শিক্ষিত বেকার চাকরির সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে সেই দেশে লোক দেখানো কিছু ঘোষণা লজ্জাকর। পাশাপাশি শিক্ষিত বেকারদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। শিক্ষিত বেকারদের নিয়ে কে ভাবছে! বাস্তবিক অর্থে কোনও রাজনৈতিক দলই এই অংশের কথা ভাবে না। মজা করে বলাই যায়, শিক্ষিত বেকারদের জন্য একটা রাজনৈতিক দল থাকা দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *