সুন্দরবনের মানুষের পাকা বাঁধের স্বপ্ন আজও অধরা

sundarban

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্কঃ সুন্দরবনের বাঁধের মাটি জলেই যাবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্রের খবর, আম্ফান ও তার পরে ভরা কোটালে নাজেহাল হয়ে যাওয়া গ্রামের বাসিন্দারা প্রশাসনের ওপর ভরসা হারিয়েছেন। তাঁরা কি আর কোনওদিনও শক্তপোক্ত নদীবাঁধ দেখতে পাবেন না, এই প্রশ্ন ঘোরাঘুরি করছে আম্ফান পীড়িত বাসিন্দাদের মধ্যে।প্রতিবছরই ঠিক বর্ষার আগে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ চলে। তবে বাঁধের কাঁচা মাটি সহজেই আবার নদীর জলে ধুয়ে চলে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, শাল খুঁটির বদলে বাঁশের গুড়ি পুঁতে তার মধ্যে মাটি ফেলা হয়। বাঁশ সহজেই নষ্ট হওয়ার ফলে তাড়াতাড়ি বাঁধের হাল বেহাল হয়ে পড়ে।সারাবছর বাঁধের দেখাশুনা হলে কিছুটা রেহাই পাওয়া যেত, তা হয় না। অন্যদিকে আবার কিছু স্থানীয় ইটভাটার মালিকরা খাল কেটে জল নিয়ে আসে গ্রামের ভিতরে পলি জমানোর জন্য।এই সব ক্ষেত্রে আলের বাঁধ নিচু হওয়ার কারণে নদীর জল সহজেই ঢুকে পরে জনবসতি এলাকায়।সাধারণ মানুষ এর প্রতিবাদও করতে সাহস পাননা জীবনের ভয়ে।আবার যথেচ্ছভাবে ম্যানগ্রোভ কাটা হয় ইট পোড়ানোর জন্য।ফলে ম্যানগ্রোভেরও যথেষ্ট ক্ষতি হচ্ছে। প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে সুন্দরবনবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই।তবে প্রশাসন এ বিষয় মানতে নারাজ। সেচ দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, সারাবছরই বাঁধ সংস্কারের কাজ চলতে থাকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *