ইস্তফায় পথ চলার ইতি : ফিরে দেখা শুভেন্দু-র সেই যাত্রাপথ

suvendhu and leader

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক:২০ বছরেরও বেশি অনুগত সৈনিক হিসাবে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আজ তৃণমূল দল থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাস্তায় নেমে আন্দোলন, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নন্দীগ্রামের লড়াই দেখেছেন সাধারণ মানুষ। তাঁর ইস্তফায় সেই পথচলার যবনিকা। ২১ বছরের যাত্রাপথটা ছিল কাঁটা বিছানো ।
বিধানসভায় গিয়ে ইস্তফা দিলেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ১৯৯৯ সালে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। সম্পর্ক ছেদ হল ২০২০সালে। দীর্ঘ সময়ে অনেক ওঠাপড়া ও ভাঙাগড়া রয়েছে।

পিতা শিশির অধিকারী ও সেজো ভাই দিব্যেন্দু দুজনেই সাংসদ। ছোট ভাই সৌমেন্দু পৌর প্রশাসক হিসাবে দায়িত্বে । ১৯৯৯ সালে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন নন্দকুমার স্কুল ময়দানে। ওই সালের ৯ আগস্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় যোগদান। সেবার তৃণমূল প্রার্থী নীতীশ সেনগুপ্তের জয়ের প্রধান কাণ্ডারী ছিলেন শুভেন্দু। শুভেন্দু অধিকারী প্রথম বিধায়ক হয়েছিলেন ২০০৬ সালে। দক্ষিণ কাঁথির বিধায়ক থাকার সময়ে নন্দীগ্রাম আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। নেতৃত্ব দেওয়া তখনই শুরু। ২০০৯ সালে বিধায়ক থাকাকালীন তমলুক লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন। তৎকালীন বাম প্রার্থী লক্ষ্মণ শেঠকে পরাজিত করেন।
২০১৪ সালে আবারও তমলুক কেন্দ্রের প্রার্থী হন। ৫ বছর আগের মার্জিন বাড়িয়ে পুনরায় জয়ী হন। ২০১৬ সালে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে ফের বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন। বিজয়ী হন। ২০১৬ সালে নারদ কাণ্ডে শুভেন্দুর নাম জড়িয়ে যায় । দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যেতে থাকে। গত ২৫ নভেম্বর তিনি প্রথমে ইস্তফা দেন হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে। উল্লেখ্য, ২০১১ সাল থেকে এই পদে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর ছাড়েন মন্ত্রীত্ব পদও।পরিবহন দপ্তর থেকে ইস্তফা দেন তিনি। আজ ১৬ ডিসেম্বর যোগসূত্র ছিন্ন হয়। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়লেন জননেতা শুভেন্দু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *