কাঁদছে ছোট্ট মেয়ে তবুও কর্তব্যে অবিচল বাবা-মা

ma and child

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যে অবিচল বাবা-মা। ছোট্ট মেয়েকে গ্রামে রেখেই করোনার যুদ্ধে মা-বাবা। করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। বাড়িতে বসে থাকার জো নেই। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই জরুরি পরিষেবায় রয়েছেন। একপ্রকার বাধ্য হয়েই ৪ বছরের ছোট্ট মেয়েকে পাঠিয়ে দিতে হয়েছে গ্রামের বাড়িতে।

সূত্রের খবর, ছোট্ট মেয়েটির বাবা কলকাতা পুলিশে কর্মরত। মা একটি বেসরকারি হাসপাতালের নার্স। করোনা পরিস্থিতিতে দু’জনের ব্যস্ততাও তুঙ্গে। অন্যদিকে, ছোট্ট মেয়েটিকে সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ঠাকুরদা, জ্যাঠা, কাকা সহ আত্মীয়-পরিজনরা। কখনও ডুকরে কেঁদেও উঠছে ছোট্ট মেয়েটি।

লকডাউনের সময় যত বেড়েছে, বাবা-মার জন্য চিন্তাও বেড়েছে নার্সারির পড়ুয়ার। এ বিষয়ে ওই পুলিশ কর্মী জানিয়েছেন, লকডাউনের জেরে কাজের চাপ অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় থানাতেই বেশিরভাগ সময় কাটাতে হচ্ছে। আমার স্ত্রী বর্তমানে আইসিইউ-তে কর্মরত। তাই ওরও কাজের খুব চাপ। ছোট মেয়েটার জন্যই বেশি চিন্তা। টানা ১ মাস ও আমাদের ছেড়ে এভাবে কখনও থাকেনি। খুব দেখতে ইচ্ছে করলে ভিডিও কল করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *