কয়েকটি রোগ মুক্তিতে শাক-সবজি মহৌষধ

vegitable and diet

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক: রোজকার খাবারে রাখতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাক-সবজি। ডায়াবিটিস, ব্লাড প্রেশার, চোখের সমস্যা, অ্যাসিডিটি সহ বিভিন্ন রোগ থেকে তবেই মুক্তি মিলবে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই সব রোগের ক্ষেত্রে বেশি ওষুধ খেলে মারাত্মক সাইড এফেক্ট রয়েছে। এক্ষেত্রে রেহাই পেতে হলে খাবারে রাখা উচিত পর্যাপ্ত পরিমাণ সবুজ শাক-সবজি। উচ্চরক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। খাবারে রাখতে হবে পটাশিয়াম সমৃদ্ধ শাক-সবজি। আলু, কচু, ঢেঁরস, ঝিঙে, বীট, গাজর, মিষ্টিআলু বা রাঙাআলু, মটরশুঁটি, পালং শাক, বাঁধাকপি, নটেশাক প্রভৃতি খাদ্যে পটাশিয়ামের পরিমাণ রয়েছে। ভাতের সঙ্গে সজনে পাতা সেদ্ধ খেলেওএক্ষেত্রে উপকার মেলে।পাশাপাশি কাঁচা রসুনও উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। আবার ডায়াবিটিসের ক্ষেত্রে করলা, মেথি শাক, কচি নিমপাতা, হেলেঞ্চা শাক তেলাকুচা পাতা, ডায়াবিটিসের মহৌষধ বলা যেতে পারে।এক্ষেত্রে সাদা বেগুন, কলার থোড়, মোচা, ঢেঁরস, ডুমুর, পালং শাক, কাঁচা রসুনও খুব উপকারী। তবে এড়িয়ে চলতে হবে বীট, আলু, মিষ্টিআলু বা রাঙাআলু, ওল, কচুর মতো কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ সবজি। অ্যাসিডিটি-তে থোড় হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আবার গিমা শাক, পুদিনা পাতা, চিচিঙ্গা, পটল, কাঁকরোল, সরষে শাক ও থানকুনি অ্যাসিডিটি নিবারণে সাহায্য করে থাকে। চোখের সমস্যার ক্ষেত্রে ভিটামিন-এ চোখের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন এ-র অভাব হলে দৃষ্টিশক্তি কমে আসে। রাতকানা রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। চোখের সমস্যা প্রতিরোধ করার জন্য শিশুদের প্রথম থেকেই ভিটামিন এ সমৃদ্ধ শাক -সবজি খাওয়ানো বিশেষ ভাবে দরকার।এ সবের মধ্যে রয়েছে- গাজর, বাঁধাকপি, লেটুস, পালং শাক, টোম্যাটো, নটে শাক, মেথি শাক, সরষে শাক, লাল শাক, সজনে শাক, গিমে শাক প্রভৃতি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *